1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের উৎকন্ঠা দূর করবে: আইনমন্ত্রী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে কৃষক হত্যা: দুই মাস পর গ্রেপ্তার আসামি ঘোড়াঘাটে ভূয়া ডিবির প্রতারণার ফাঁদে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মনিরামপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরিত্যক্ত ওয়ানশুটার উদ্ধার, ইয়াবা’সহ যুবক আটক মাদকবিরোধী লড়াইয়ে যুব সমাজ সবচেয়ে বড় শক্তি  কাচপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান সমাজসেবক আল আমিন বন্দরটিলা মির্জা ম্যানসনের বিস্ফোরণের ঘটনায় রহস্য কাটেনি এখনো , তদন্তের অপেক্ষায় নগরবাসী মুলাদি ফেয়ার ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে রাকিব নামে ব্যবসায়ী শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন প্রধানমন্ত্রী’র বরিশাল সফর,গোপালগঞ্জে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় শিক্ত প্রধানমন্ত্রীকে

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের উৎকন্ঠা দূর করবে: আইনমন্ত্রী

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১১ আগস্ট, ২০২৩, ৩:১০ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীর বিসিসি অডিটোরিয়ামে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক

নিউজ ডেস্ক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিক মহল যেসব সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ছিলেন, সেটি দূর হবে। রাজধানীর বিসিসি অডিটোরিয়ামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ রহিতকরণ এবং প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আজ এসব কথা বলেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইন সাইবার অপরাধ বন্ধে অত্যন্ত সহায়ক হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক মহল যেসব সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ছিলেন, সেটাও দূর হবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারণে জনগণের মধ্যে যে মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে কিংবা গণমাধ্যমে স্বাধীনভাবে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যে মানসিক চাপ বা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা সাইবার নিরাপত্তা আইনে দূর হবে।

আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যেসব ধারায় সাজার পরিমাণ অনেক বেশি ছিল এবং এনিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেগুলোর সাজা সাইবার নিরাপত্তা আইনে কমিয়ে আনা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বেশকিছু ধারা জামিন অযোগ্য ছিল, সেগুলোকে নতুন আইনে জামিনযোগ্য করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক ধারায় দ্বিতীয়বার অপরাধ সংঘটনের জন্য সাজা দ্বিগুণ কিংবা সাজার মেয়াদ বাড়ানোর বিধান করা হয়েছিল। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব ধারায় দ্বিতীয়বার অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে বাড়তি সাজার কথা বলা আছে, সেগুলো নতুন আইনে বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৯ ধারায় মানহানির বিষয়টি ছিল। এতে বলা ছিল, (১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে পেনাল কোডের (দন্ডবিধি) ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, সে জন্য তিনি অনধিক তিন বছর কারাদন্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। আর যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১)-এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুনঃ সংঘটন করেন, তাহলে ওই ব্যক্তি অনধিক পাঁচ বছর কারাদন্ড বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে মানহানির অপরাধের জন্য কারাদন্ড বাদ দিয়ে শুধু জরিমানার বিধান করা হয়েছে। এখন এই অপরাধের জন্য অনধিক ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। জরিমানা এক টাকাও হতে পারে। অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে আদালত এটি নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হলো, মানহানির মামলার ক্ষেত্রে নতুন আইনে কাউকে সরাসরি গ্রেফতার করা যাবে না এবং গ্রেফতারের কোনো আতঙ্ক বা আশঙ্কা থাকবে না। তবে জরিমানা না দিলে তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদন্ড দেয়া যাবে। কিন্তু অপরাধের মূল শাস্তি হবে জরিমানা।

মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়নি, পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন যদি বলি, বাতিল করা হয়েছে, তাহলে আপনারা প্রশ্ন করবেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রায় সব ধারাই তো এ আইনে আছে। তাহলে আপনি কেন বলছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে। যে কারণে আমি পরিবর্তন শব্দটি ব্যবহার করেছি।’

সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের যুক্তিকতা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্তনগুলো এতটাই বেশি ছিল যে, যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ পড়তে হতো, তখন সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা (সংশোধন) আইনটিও সঙ্গে রাখতে হত, এটা কনফিউজিং হতো।’ সেজন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ নামে নতুন আইন করা হচ্ছে। এখানে ডিজিটালের পরিবর্তে সাইবার নামটা রাখা হয়েছে, এটার ব্যাপ্তি বাড়ানোর জন্য। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ সালে অনুমোদনের পর ৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। আমাদের ৫ বছরের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সারাবিশ্বে আইসিটি সংক্রান্ত অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আইসিটি সংক্রান্ত বিশ্বের যে ব্যাপ্তি কিংবা ধরন, তার বেশ পরিবর্তন এসেছে। সেসব কিছুকে বিবেচনায় রেখে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com