ফেনীতে পারভিন আক্তার নামে একমহিলার নাবালক স্কুল পড়ুয়া ফাহিমা আক্তার গত ১৩/৫/২০২৬ ইং তারিখ মাদক বেবসায়ী ও কিশোর গেং আরমান হোসেন ও তার দলবল কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা স্কুলে যাওয়ার পথে কিডন্যাপ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় ।
পারভীন আক্তার তাঁর মেয়েকে স্কুল ছুটি হওয়ার পর বাসায় না আসায় চারিদিকে খোঁচাখুঁজি করে থানায় জিরি নং-৫৮০ তারিখ ১৩/৫/২৬ দায়ের করে।
পুলিশের সহায়তায় নিয়েও পারভীন আক্তার তার মেয়ে ফাহিমাকে উদ্ধার করে ব্যর্থ হয়।৪/৫ দিন তাঁর মেয়ে নিখোঁজ।
ইতিমধ্যে কিশোরগঞ্জ লিডার ও মাদক ব্যবসায়ী আরমান হোসেন ও তার কিছু বন্ধুদের এলাকায় না দেখতে পেয়ে পারভীন আকতার কিশোর গ্যাং লিডার আরমানের আত্মীয়-স্বজনকে তার মেয়ে কিডন্যাপ করে নিলো কিনা মন্তব্য করলে, মাদক বেবসায়ী আরমান হোসেন ঘটনা ভিন্ন দিকে নিতে তার মা শাহেদাকে দিয়ে উল্টো পারভীনের বিরুদ্ধে অপহরণ করছে মর্মে নাটকীয় উল্টো সি আর ১৭/২৬ ,তারিখ ১৭-৫ ২৬ দায়ের করে ।
কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে সেই দিনই অর্থাৎ ১৭/৫/২৬ ইং তারিখ ভুক্তভোগী পারভীন আক্তারের দায়ীকৃত হারানোর জি ডি-৫৮০, এর ভিত্তিতে পুলিশ চট্টগ্রাম আরমান হোসেনের বোনের বাসা থেকে ভিক্টিম ফাহিমাকে উদ্ধার করে । উদ্দারেরস্তল থেকে আরমান হোসেন ও তার মা শাহেদা কে পুলিশ নাবালক মেয়ে ফাহিমা অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার করে ।
অতঃপর পারভিন আক্তার অত্র আসামির বিরুদ্ধে সিআর ৪৭/২৬ দায়ের করে ।
অত্র মামলায় আরমানের মা শাহেদ আক্তার জামিনে এসে মামলার বাদী পারভীনকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য শারীরিক আক্রমণ করে আহত করে। এবং মামলা না প্রত্যাহার করলে তার ছোট ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিলে,পারভীন থানায় জীবন রক্ষায় জিডি-১৩৯ তাং ২/৭/ ২৬ দায়ের করেন ।
বর্তমানে এই পারভীনের পরিবার ভয় ও আতঙ্কে দিনযাপন করতেছে এবং সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ প্রশাসনের নিকট জীবনের নিরাপত্তা মর্মে সংবাদ কর্মীদের জানায়।