1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
রঙতুলি পেশায় (কমার্শিয়াল আর্টিস্ট) পূর্ণতা পেয়েছেন আশারাফুল বারী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প ঘুরে দেখলেন প্রতিমন্ত্রী সারিয়াকান্দিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার রোধে ভোলায় আলোচনা সভা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বাজার বণিক সমিতির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন কাহালুতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা  অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে সচেতনতা ও নিরাপদ অভিবাসনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান কুড়িগ্রামে পুনঃখনন করা খাল ঘিরে কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি গাছ ফেলে বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুট, ছুরিকাঘাতে বিকাশকর্মী আহত টেকনাফে ৫ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক গ্রেপ্তার কেসিসির টেন্ডার সিন্ডিকেটে ভাঙনের ইঙ্গিত, দুদকের অনুসন্ধান চলমান

রঙতুলি পেশায় (কমার্শিয়াল আর্টিস্ট) পূর্ণতা পেয়েছেন আশারাফুল বারী

reporter নাজমুস সালেহীন সজীব
calendar প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ

কমার্শিয়াল আর্টিস্ট (রঙতুলি শিল্পী)
রঙতুলি পেশার প্রতি অগাধ আস্থা ও ভালোবাসা থেকেই এ পেশায় এসেছেন আশরাফুল বারী। এ পেশাকে মূলত মানুষজন রঙতুলি শিল্পী / রঙতুলি আর্টিস্ট হিসেবেই চিনেজানে। রঙ তুলিতে কেন্দ্র করেই জীবনের কর্মব্যস্ততার সময় পার করছেন তিনি।
ছোটবেলা থেকেই চিত্রাংকন ও রঙতুলি দিয়ে লেখালেখির প্রতি একটা দুর্বলতা, ভালোবাসা এবং আগ্রহ ছিল। মূলত সেই আগ্রহ থেকেই মূলত এই পেশায় এসেছেন তিনি। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত সখীপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তার শৈল্পীক মেধা ও মনের মাধুরী মিশিয়ে রংতুলি দিয়ে কাপড়ের তৈরি ব্যানারে , স্টিলের তৈরী ব্যানারে রাঙিয়ে তুলেন রঙিন চমৎকার লেখনীর কারুকার্যময় উপস্থাপন। যদিও বর্তমানে পূর্বের তুলনায় এখন মানুষজন কাপড়ের তৈরি ব্যানার স্টিলের তৈরি সাইনবোর্ড খুব একটা ব্যবহার করে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় তার দোকানে যুক্ত করেছেন পিভিসি ব্যানারের যন্ত্রাংশ।
বর্তমানে সখীপুর বাজারে দিগন্ত আর্ট এন্ড প্রিন্টিং প্রেস নামে একটি দোকান রয়েছে কমার্শিয়াল আর্টিস্ট আশরাফুল বারীর।
তিনি তার দোকানে আগত গ্রাহকদের চাহিদার অনুসারে দোকান থেকে রঙতুলি দিয়ে লেখার পাশাপাশি যান্ত্রিক মেশিনের সাহায্যে পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ক্যাশমেমো, ভিজিটিং কার্ড, প্যানা, পিভিসি, স্টিকার, প্যাড, সাইনবোর্ড, ক্যালেন্ডার, রশিদ বই, ডায়েরি, দাওয়াত কার্ড, টি শার্ট প্রিন্ট, মগ প্রিন্ট ও ক্রেস্ট প্রিন্টের অর্ডার রাখেন। অতি দ্রুত সময়ে গ্রাহকের চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী অর্ডারকৃত সব কিছু সঠিক, সুন্দর ও চমৎকারভাবে গ্রাহকের কাছে ডেলিভারি করছেন। এ পেশা থেকে তার যতটুকু আর্থিক উপার্জন হচ্ছে সেই উপার্জনকৃত অর্থ দিয়েই নিজের সংসার চালাচ্ছেন তিনি।

রঙ তুলি শিল্পী (কমার্শিয়াল আর্টিস্ট) আশরাফুল বারীর গ্রামের বাড়ী সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের সাড়াশিয়া বড়বাইদপাড়া গ্রামে। সখীপুরের মানুষের কাছে তিনি রঙতুলি শিল্পী হিসেবেই বেশী পরিচিত। পরিবারে তাঁর সহধর্মিণী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।

রঙ তুলি শিল্পী (কমার্শিয়াল আর্টিস্ট) আশরাফুল বারী বললেন, ১৯৯২ সাল থেকে তিনি এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে তিনি মনের মাধুরি মিশিয়ে রংতুলির সৌন্দর্যে বিভিন্ন ব্যানার সাইনবোর্ডে রঙ তুলি দিয়ে রঙিন করে ফুটিয়ে তুলছেন লেখনী। দীর্ঘদিন পূর্বে যখন পিভিসি/ ডিজিটাল ব্যানার ছিল না তখন কাপড়ের তৈরি ব্যানার লিখতেন তিনি। এছাড়াও প্ল্যাকার্ড ফেস্টুন, স্টিলের বিভিন্ন সাইনবোর্ডেও লিখতেন। রঙতুলির প্রতি তাঁর অসীম ভালোবাসা নিহিত আছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিভিন্ন পেশার লোকজন তাঁর কাছে আসে রঙতুলি দিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় লেখনী লিখতে। গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে তিনি মনের মাধুরি মিশিয়ে রঙ তুলির সৌন্দর্যে লেখাগুলো রঙিন করে ফুটিয়ে তুলছেন তিনি।

সখীপুর পৌর এলাকার খান প্লাজার স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোশারফ হোসেন খান বললেন, যখন ডিজিটাল ব্যানার ছিল না তখন আমার মার্কেটের সাইনবোর্ড কাঠের ফ্রেমে স্টিলের তৈরি ছিল। সেই স্টিলের তৈরি ফ্রেমের মধ্যে রং তুলি দিয়ে মার্কেটের নাম ঠিকানা লিখে আনতাম। কিন্তু এখন ত ডিজিটাল ব্যানার, পিভিসি ব্যানারের প্রচলন এসেছে তাই স্টিলের তৈরি সাইনবোর্ডে এখন আর রং তুলি দিয়ে লেখা হয় না। রঙতুলি দিয়ে সাইনবোর্ডে লেখনীর মধ্যে একটা সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যতা ছিল বলে মনে করি আমি। কিন্তু পিভিসি ডিজিটাল সাইনবোর্ডে ব্যানারে আগের মতো তেমন সৌন্দর্য খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না। রঙ তুলি দিয়ে সাইনবোর্ড ব্যানারের লেখনীগুলোই প্রাণবন্ত জীবন্ত মনে হতো।

উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের মহানন্দপুর গ্রামের বাসীন্দা ইউনুস আলীম বললেন, আমার সখীপুরে একটা প্রতিষ্ঠান আছে। ইতিপূর্বে ডিজিটাল ব্যানার বাজারে আসার আগে কাপড়ের তৈরী ব্যানারের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা লিখে নিতাম। কিন্তু এখন আর কাপড়ের তৈরি ব্যানার প্রয়োজন হয়না তেমন। পিভিসি ডিজিটাল ব্যানার দিয়েই প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড তৈরি করি। তবে রঙতুলি দিয়ে লেখনী ব্যানার সাইনবোর্ড গুলো আমার খুব পছন্দের।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com