1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প ঘুরে দেখলেন প্রতিমন্ত্রী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ডিমলায় পুলিশের অভিযানে ৭৩ বোতল ভারতীয় ‘এস্কাফ’ সিরাপ উদ্ধার সোনারগাঁওয়ে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলের চারা বিতরণ জলঢাকায় বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ‎দালালের প্রলোভনে ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় তিন যুবক, নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে কোটি টাকার মুক্তিপণ দাবি তাযকিয়াতুল উম্মাহ’য় ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত আলফাডাঙ্গায় প্রেমিকের ফাঁদে মাদ্রাসা ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান অভিযুক্ত পুলিশে সোপর্দ পরিচ্ছন্নতাই হোক নাগরিক সংস্কৃতিঃ ক্লিন ময়মনসিংহ অভিযানে দাপুনিয়া বাজারে ঝাড়ু হাতে ইউএনও ধনবাড়ী উপজেলা যদুনাথপুর ইউনিয়নে বৃষ্টির পানিতে ধসে পড়ছে ৫ নং ওয়ার্ড এ বন্ধ হাওডা সড়কটি জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্পে জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ঘোড়াঘাটে নারীর শিক্ষার আলোকবর্তিকা রাণীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প ঘুরে দেখলেন প্রতিমন্ত্রী

reporter ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের প্রস্তুতি উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে। কারিগরি কমিটির প্রতিবেদন হাতে এসেছে এবং সেটি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের কার্যকর পথ নির্ধারণে কাজ চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অন্তত একটি পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার আশা রয়েছে।
গত শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিক। নদী ব্যবস্থাপনা, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে আছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে মামলা নিষ্পত্তিসহ সব ধরনের জটিলতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।
এরপর তিনি ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ভাঙনের ভয়াবহতা দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো নদীভাঙনের কারণে যেন কোনো পরিবার বসতভিটা বা কৃষিজমি হারিয়ে না ফেলে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com