1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
বিরলের বেতুড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি আদায়ের অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা নগরকান্দায় মামা-ভাগিনার মৃত্যুর তদন্ত ঝুলে এক বছর, আদালতে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ফেরত গেলেন জোর করে পুশ-ইনের ভারতীয় ৪ নাগরিক উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পাহাড়ধস: মাদ্রাসার ৮ ছাত্রী নিহত, নিখোঁজ বেশ কয়েকজন দুই শতাধিক মানুষের কবর খনন করে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আবুল কাশেম গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ১০ গজের মধ্যে চুরি, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ঠাকুরগাঁওয়ে একাধিক বিয়ে, অর্থ আত্মসাতসহ প্রতারণার অভিযোগে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন লক্ষ্মীপুর চন্দ্রগঞ্জে ওয়েলনেস নিউট্রেশন লিমিটেড এর নতুন শাখা উদ্বোধন রাজশাহীর বাঘা থানায় অপরাধ দমনে সক্রিয় পুলিশ, আলোচনায় ওসি পটুয়াখালীতে এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের দায়ে ৩ জন বহিষ্কার

বিরলের বেতুড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি আদায়ের অভিযোগ

reporter মোঃ লুৎফর রহমান,বিরল(দিনাজপুর)
calendar প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ

বিরলের বেতুড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি আদায়সহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়, বিরল উপজেলার ০৬নং ভাণ্ডারা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান বেতুড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঃ আজিজ দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়টিকে আয়ের অন্যতম সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে হাজার হাজার টাকা বাধ্যতামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের নিকট হতে হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকার সচেতন অভিভাবকদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আমাদের প্রতিবেদককে স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী যদি কোন শিক্ষার্থী লেখা পড়ায় দূর্বল থাকে তাহলে শুধুমাত্র হাতে গোনা গুটি কয়েক ঐ সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে বিদ্যালয় ছুটির পর অতিরিক্ত কোচিং এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে সে ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সম্মতিতে মাসে সর্বচ্চ দুইশত টাকা ফি নেয়া যেতে পারে। যে সকল অভিভাবক তাদের সন্তানদের কোচিং এ পড়াতে অনিচ্ছা পোষণ করেছে তাদেরকে জোর করে কোচিং করাতে পারবেন না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ অত্র বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থীদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে কোচিং করাচ্ছেন এবং জনপ্রতি বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচশত টাকা করে আদায় করে চলছেন বলে অভিভাবকগণ জানিয়েছেন। নিয়ম নীতির পরিপন্থী একই শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে একযোগে বাধ্যতামূলক কোচিং করে সকলের নিকট বাধ্যতামূলক ফি আদায়ের ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন অভিভাবকবৃন্দ।
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল আজিজ জানান, আমরা বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ের আগে এবং পরে বিশেষ পাঠদান করি। এজন্য ৭ম ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক দুইশত টাকা এবং ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিকট মাসিক পাঁচশত টাকা হারে নেয়া হয়। বিদ্যালয়ের অভিভাবকগণের সম্মতি নিয়েই কোচিং করানো এবং নিয়মের থেকেও কম ফি নেয়া হয়।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আরিফ ইকবাল জানান, অভিভাবকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই বিশেষ পাঠদানের নিয়ম রয়েছে। তবে বাধ্যতামূলক কোন ফি আদায় করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com