গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার (০২) নং পারুলিয়া ইউনিয়নে টিআর প্রকল্পের আওতায় সংস্কারকৃত একটি রাস্তার পুরনো ইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় (০২) নং পারুলিয়া ইউনিয়নের (০৬) নং ওয়ার্ডের সদস্য ও তৎকালীন প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লিয়াকত আলী লিটুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারুলিয়া ইউনিয়নের ছোট পারুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে দক্ষিণপাড়া কাজী বাড়ি পর্যন্ত দুই লক্ষ টাকায় (প্রায় ৪০০ ফুট) রাস্তা সংস্কারের সময় পুরনো ইট তুলে বিক্রি করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সম্পদ হিসেবে এসব ইট যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে বিক্রি করা হয়েছে।
স্থানীয় চা দোকানি দাউদ তালুকদার রাস্তার ইট ক্রয়ের কথা স্বীকার করে বলেন স্থানীয় মেম্বার মোহাম্মদ আলী লিটুর নিকট থেকে ৫০০০ টাকা হাজার দরে কিনছি।ইটগুলো এখনও আমার বাসার সামনে আছে। তবে সাজাইল বাজারের সেনেটারী ব্যবসায়ী নান্নু মোল্লা ও উক্ত মেম্বারের নিকট থেকে ৬ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন বলে জানতে পারছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোহাম্মদ লিয়াকত আলী লিটু অভিযোগের সত্যতা আংশিক স্বীকার করে বলেন, রাস্তার নির্মাণকাজ শেষে কিছু ভাঙা ও অব্যবহৃত ইট পড়ে ছিল। তিনি সেগুলো বিক্রি করেছেন। তার দাবি, উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের এক কর্মকর্তার পরামর্শেই তিনি এ কাজ করেছেন।
তবে এ দাবি নাকচ করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আউয়াল হোসেন। তিনি বলেন, “নির্মাণকাজ শেষে কিছু ভাঙা ইট অবশিষ্ট ছিল। সেগুলো নিকটস্থ মসজিদে দান করে দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কাউকে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়নি।”
এ ব্যাপারে (০২) নং পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শাওন বলেন, “ঘটনার সময় আমি জেল হাজতে ছিলাম। তাই বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই।”
এদিকে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহিন মিয়া বলেন বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।