1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানা: কর্মসংস্থান ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
টাইমস হায়ার এডুকেশন সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে গাকৃবি দেশের শীর্ষে উল্লাপাড়া সলঙ্গায় ওয়ালটন প্লাজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রবাসী নারীর অভিযোগে কুমিল্লার বরুড়ায় পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গ্রেপ্তার ভোলায় আগামী রবিবার ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন :লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২ লাখ ৯৩ হাজার শিশু জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন জুন-২৬ ফেনীতে সংবাদ সম্মেলন  ফেসবুক পোস্টের জেরে তাহিরপুরে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব বাগেরহাটে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ময়মনসিংহের ডিসি-ইউএনও রাজনগরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা বাঙ্গালহালিয়াতে কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে,সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন লক্ষ্মীপুর রায়পুরে একই পরিবার ৩ জনকে জবাই করে হত্যা

চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানা: কর্মসংস্থান ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানাগুলো স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব কারখানায় কাজ করে বহু নিম্নআয়ের মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, সেখানে এ ধরনের কারখানা অনেক পরিবারের আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে।
কারখানা সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশের অনেক খাল-বিল, নদ-নদীতে পানি কমে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক কারণে মাছের উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় জেলেরা বিকল্প উপায়ে মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন। এ অবস্থায় চায়না দুয়ারী জালের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করেছে।
কারখানার মালিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন এবং এর মাধ্যমে বহু শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মতে, হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকদের জীবিকা সংকটে পড়তে পারে। তাই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বাস্তব পরিস্থিতি, পরিবেশগত প্রভাব, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করা।
তবে মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ধরনের জাল যদি দেশের প্রচলিত মৎস্য আইন বা পরিবেশ সংরক্ষণ নীতিমালার পরিপন্থী হয়, তাহলে তার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। কারণ অপরিকল্পিত মাছ শিকার জলজ জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিমত, সরকার একদিকে যেমন মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবেশবান্ধব ও আইনসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিল্প ও কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কারখানা মালিক ও শ্রমিকরা। তারা আশা করছেন, তথ্যভিত্তিক তদন্ত ও বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধান বের হবে, যা মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com