1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে পালদের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
শ্বাসকষ্টের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বৃদ্ধের গলায় ফাঁস, ভাঙ্গায় আত্মহত্যা নাফ নদীতে ১ কেজি আইসসহ বোট জব্দ কোস্ট গার্ডের অভিযানে, পালিয়ে গেল মাদক কারবারিরা রাজশাহীতে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম: সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন রাঙামাটির নানিয়ারচরে ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন গাইবান্ধায় গ্রাম ও প্রতিরক্ষা আনসারের সক্রিয় সদস্য জেল হাজতে থাকা সত্ত্বেও চাকরিতে বহাল তবিয়তে আইডি নং ২২৪৩৩ তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ: নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীকে ধামরাইয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ছাত্রদলের ৫ আগস্ট: স্মৃতি, শিক্ষা ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা বিরল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ওয়াহেদুর রহমানের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন ‘জুলাই-আগস্ট ছাত্র- জনতার গণঅভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা  ‎শিক্ষকতার গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি, দক্ষিণ আইচায় তিন শিক্ষককে সম্মাননা

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে পালদের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

reporter ‎মোঃ বশির উদ্দিন,‎সাভার প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ

ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ারপাড়া ও খামারপাড়ায় আধুনিকতার প্রবল প্রভাবের মাঝেও কয়েকটি পাল পরিবার আজও শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুমার বা মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রেখেছেন। একসময় গ্রামবাংলার নিত্যপ্রয়োজনীয় মাটির তৈজসপত্র তৈরির জন্য পরিচিত এই জনপদ এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক সময় এই এলাকার পালদের তৈরি মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলস, প্রদীপ, ফুলের টব, ভাঁড়, ধূপদানিসহ বিভিন্ন ধরনের মাটির সামগ্রীর ব্যাপক চাহিদা ছিল। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসব পণ্য কিনতে আসতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিক, স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্যান্য আধুনিক সামগ্রীর ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মাটির তৈজসপত্রের বাজার দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে নতুন প্রজন্মের অনেকেই আর এই পেশায় আসতে আগ্রহী নন।

‎স্থানীয় পাল পরিবারের কারিগররা জানান, ভালো মানের মাটি সংগ্রহ করা এখন আগের তুলনায় কঠিন। এছাড়া জ্বালানি, কাঁচামাল ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে পেশা পরিবর্তন করছেন। তারপরও পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

‎স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি  তারেক আআহম্মেদ হিলাড়ি বলেন, “পালদের এই ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প শুধু একটি পেশা নয়, এটি আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, সহজ শর্তে ঋণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।”

‎স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে আশুলিয়ার নয়ারপাড়া ও খামারপাড়ার ঐতিহ্যবাহী কুমার শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। অন্যথায় অবহেলা ও আধুনিকতার চাপে একসময়ের গৌরবময় এই মৃৎশিল্প অচিরেই হারিয়ে যাবে ইতিহাসের পাতায়।

‎ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ, কারিগরদের আর্থিক সহায়তা এবং দেশীয় মাটির শিল্পের প্রসারে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণই পারে হারিয়ে যেতে বসা এই শিল্পকে নতুন করে প্রাণ ফিরিয়ে দিতে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com