গাইবান্ধায় কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রাম ও প্রতিরক্ষা বাহিনী সক্রিয় আনসার সদস্য এর বিরুদ্ধে মনিটরিং সেল গঠন করেছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আনসার মহাপরিচালক। মোঃ মুক্তা মিয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও আনসারের সক্রিয় সদস্য মোঃ জিয়াউর রহমান পিতা মোঃ মজিবর রহমান মুহুরী দ্বিতীয় পুত্র গ্রামঃ খোলাবাড়ি মাস্টার পাড়া (ছকুর মোড়) ওয়ার্ড নং ৪ বল্লমঝাড় ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। আনসারের সক্রিয় সদস্য হওয়া সত্বেও সে বিভিন্ন অপকর্মের সহিত জড়িত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্য উক্ত জিয়াউর রহমান দীর্ঘদিন যাবত ধরে প্রতারণা সহ নানান ধরনের অপকর্মের সহিত জড়িত রয়েছে। ইতিমধ্যে সে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের কে ও মাদক সেবনকারীদের কে ব্যবহার করিয়া অন্যের জমি আত্মসাৎ করার জন্য অর্থ যোগান দিয়ে আসিতেছে। এই বিষয়ে একাধিক গণমাধ্যম সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়, ইলেক্ট্রি মিডিয়ায়, প্রিন্ট মিডিয়া সহ বিভিন্ন সংবাদ পরিবেশন হওয়ার সত্ত্বেও থেমে থাকেনি আনসারের সক্রিয় সদস্য জিয়াউর রহমান। গত ২৬/৮/২৫ ইং তারিখে বিভিন্ন অপরিচিত মাদক সেবনকারীদেরকে লইয়া সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের অসৎ উদ্দেশ্য সাধনকল্পে জমি দখল করার চেষ্টা করলে সংঘাতের সৃষ্টি হয়, এক পর্যায়ে সাংবাদিক পরিবারের উপরে হামলা সহ বর্বর নির্যাতন চালানো হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিক পরিবার বাদী হইয়া গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে উক্ত মামলায় আসামীর জিয়াউর রহমান দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ১২/৭/২৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে জামিন নেওয়ার জন্য হাজির হইলে বিজ্ঞ আদালতে আদশে উল্লেখ করেন যে উক্ত আসামি দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তাহার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীর ধারার উপাদান থাকায় বিজ্ঞ আদালত C/W মূলে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পুনরায় উক্ত আসামী গত ১৯/৭/২৬ ইং তারিখে জামিনের জন্য বিজ্ঞ আদালতে জামিনের প্রার্থনা করিলে বিজ্ঞ আদালত অসন্তুষ্ট হইয়া জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করেন। বর্তমানেও আনসারের সক্রিয় সদস্য জেলহাজতে আবদ্ধ রয়েছেন, উক্ত আনসারের বিরুদ্ধে আনসার মনিটরিং সেল গঠন হইলে আনসার ভিডিবির একটি তদন্ত টিম প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত শুরু করেন, উল্লেখ্যে যে উক্ত আসামির পরিবার মনিটরিংসেলকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে পাঁয়তারা করে আসিতেছে, ইতিমধ্য সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলন মনিটরিং সেল কমিটিসহ বিজ্ঞ আদালতের আদেশ আনসার ভিডিবি সদর দপ্তর সহ whatsapp এর মাধ্যমে অবগত করেন। তথাপিও আনসারের সক্রিয় সদস্য জেল হাজতবদ্ধ আসামির পরিবার আনসার ভিডিবির মনিটারিং সেলকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করিয়া আসিতেছে ও বিভিন্ন ভুলভাল বুঝিয়ে তদন্ত কার্যক্রমকে ব্যাহত করতেছে মর্মে সাংবাদিক পরিবারের অভিযোগ। আরো অভিযোগউঠেছে যে, উক্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সক্রিয় সদস্য জামিনে মুক্তি লাভ করার পর সে আরো মরিয়া হয়ে উঠেছে। উক্ত জিয়াউর রহমানের আইডি নং ২২৪৩৩ একজন জেলহাতে থাকা আসামী কিভাবে চাকরিতে বহাল তবিয়তে রয়েছে তা নিয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, শুধু সমাজ মনে করেন,দাপ্তরিক কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করার ফলে উক্ত আনসার সদস্য চাকরিতে বহাল তবিয়তে রয়েছে।