সাভার উপজেলা প্রতিনিধিঃ সৈরাচার সরকার হাসিনা থাকা কালিন সময়ে সৈরাচারিতা করেছে পুলিশ,( ৫ আগস্ট) নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে ছাত্র জনতা। এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরে আসেনি দেশ, পরিবর্তনশীল হচ্ছে পুলিশের কার্যক্রম,কিন্তু আগের স্বভাবেই রয়ে গেছে কিছু পুলিশ সদস্য।
পুলিশ নাম শুনলেই যখন সাধারণ মানুষের মধ্যে চলে আসে ঘৃণহিত মানসিকতা। যেখানেপুলিশের প্রতি বিশ্বাস এর আগেই হারিয়েছেন সাধারণ মানুষ,এখনো পুলিশ দেখলে ক্ষোপ প্রকাশ করেন মানুষ ঠিক?সেই মূহুর্তে যারা গাছ কেটেছে তাদের করা মিথ্যা মামলায় জরিয়ে অসহায় সাধারণ মানুষকে আসামি বানিয়ে গ্রেফতারে করছে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম উপ- পরিদর্শক আশুলিয়া থানা সাপ্তাহ খানেক আগে আশুলিয়া থানায় জয়েন্ট করেছেন বলে জানা গেলেও তিনি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট বলে ক্ষমতা দেখান তিনি।
সেই ক্ষমতায় আশুলিয়া থানায় এসেই একটি মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দায়ের করে তদন্ত ছাড়াই আসামি গ্রেফতার করেন, আশুলিয়া থানার ওসি তদন্ত মাসুদুর রহমানের ফোন পর্যন্ত ধরেন তিনি। জানা যায় যে জমির গাছ কাটা ও জমি দখলের বিষয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে মুলত ওই সকল গাছ ও জমি সরকারের। গাছ কাটার পর ঢাকা নবাব স্টেট কর্তৃপক্ষ সরকারি গাছ কাটার তদন্ত করার জন্য একজন সার্ভেয়ার তদন্ত করে গেছেন।
সেই তদন্ত রিপোর্টে রয়েছে আইয়ুব আলী সিকদার,বদরুল আলম, আয়নাল,মজিবর গং গাছ গুলো কেটে বিক্রি করেছে, যার তদন্ত রিপোর্ট প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত । এবং আইয়ুব আলী সিকদারের আপন চাচা মোতাহার হোসেন স্বীকার করেছেন আইয়ুব আলী শিকদার গং সরকারি জমির গাছ কর্তন করে এবং সরকারি জমি বিক্রয় করে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা যার অডিও সংরক্ষিত।
গাছ কাটার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ হোসেন ম্যানেজার নবাব স্টেট। তবে কোন এক অদৃশ্য কারণে এবিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি মোহাম্মদ হোসেন ম্যানেজার নবাব স্টেট। সুত্রে জানা যায় বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা বরকত উল্লাহ দুলুর কথায় এই মামলা দায়ের ও তদন্ত ছাড়াই আসামি গ্রেপ্তার করেছেন এস আই আমিরুল ইসলাম।
এছাড়াও আসামি ছেড়ে দিতে হলে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন আমিরুল ইসলাম এমন বক্তব্য দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত মতিউর রহমানের স্ত্রী জেসমিন বেগম। এবিষয়ে আমিরুল ইসলাম বলেন মামলা হয়েছে আমি আসামি ধরে এনেছি, আমি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এমন ক্ষমতা দেখিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে জান তিনি। এর পর আর কারো ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
তদন্ত ছাড়া আসামি ধরা হয়েছে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ওসি তদন্ত মাসুদুর রহমান বলেন গাছ কাটার বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে আমি জানি কিন্তু আসামি ধরার বিষয়টি আমি জানি না। আর মামলা হয়েছে কিন্তু তদন্ত করা হয়নি, তদন্ত ছাড়া আসামি ধরা হয়েছে এই বিষয়টি আমিরুল ইসলাম আমাকে জানায়নি, আমি এবিষয়ে জানতে একাধিকবার তাকে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভুক্তভোগীর পরিবার সহ সাধারণ মানুষ বলছেন সৈরাচার সরকার থাকাকালীন সময়ে যে সৈরাচারি করেছে পুলিশ এখন সরকার পতনের পরও কিছু কিছু পলিশ সেই সৈরাচারিতা ভুলতে পারেনি। এখননি সময় এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা তা না হলে সাধারণ মানুষের সাথে সৈরাচারি করে সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাবে এসকল পুলিশ সদস্যরা।