ফেনী সদর উপজেলার উত্তর ফতেপুর গ্রামের আব্বাস খন্দকার বাড়িতে ঘরের সীমানায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েসহ তিনজনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে হাসান, পেয়ার জাফরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, পুরাতন ঘর ভেঙে নতুন ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক বাড়ির সীমানায় টিনের বেড়া দিয়ে অতিরিক্ত জায়গা দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় বড় গাছ কেটে নেওয়া এবং নতুন লাগানো গাছের চারা ভেঙে ফেলার অভিযোগও করেন তারা।
ঘটনার সময় বাধা দিতে গেলে আনোয়ারা (৫৮) ও তার মেয়েসহ তিনজন আহত হন। আহতদের মধ্যে একজন নারীকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছবিতে দেখা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রবাসী একমাত্র ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে আনোয়ারা নিজের বাড়িতে বসবাস করতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, বাড়িতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বহিরাগত লোকজন নিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরারও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয়দের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে হামলার অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই সাহস পাচ্ছেন না বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আনোয়ারা ফেনী শিশু বিদ্যা নিকেতন স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (আয়া) হিসেবে কর্মরত।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে মামলা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে তারা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
পরিবারটির দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেনী জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।