1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
পার্কভিউ হাসপাতালের কর্মীদের আন্দোলন, বিএনপি নেতাকে ঘিরে ‘ভুয়া ভুয়া স্লোগান’, হামলা-মারধর বর্তমান সরকারে মতো প্রবাসীদের নিয়ে কেউ এতটা ভাবেনি: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ‎রাতের আঁধারে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ওয়াক্‌ফ স্টেটসের সাইনবোর্ড সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিয়ানীবাজারে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে ৩৮শ’ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪ ছুরিকাঘাতে যুবক খুন- নেপথ্যে মাজার-মসজিদ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরনো বিরোধ মাদক ব্যবসায়ী ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ঘোড়াঘাটে খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের মাঠ পরিদর্শনে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বাকিতে সিগারেট না দেওয়ার জেরে ভয়াবহ হামলা, গুরুতর দগ্ধ ব্যবসায়ী; গ্রেফতার ১ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে নিয়োগের দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন দিনাজপুরে পুবাইল থেকে গ্রেপ্তার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইমন হোসেন

গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপি নেতার ছেলেসহ পুলিশের বিরুদ্ধে স্বর্ণ-টাকা নেওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

গাজীপুরের কাশিমপুরে গভীর রাতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভাড়াটিয়াকে গ্রেপ্তারের সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাড়ির মালিক মো. শহিদুল ইসলাম (৪৯)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার দিকে তৌহিদ উদ্দিন সোহাগ নামে এক ব্যক্তি শহিদুল ইসলামের নির্মাণাধীন বাড়ির জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সোহাগের পরিচয় সম্পর্কে জানা গেছে সে মহানগরীর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর আব্দুল আউয়ালের ছেলে । জানালা দিয়ে প্রবেরশের পরে শিল-পাটা দিয়ে বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর কাশিমপুর থানার এএসআই সেকেন্দার আলীসহ দুই পুলিশ সদস্য এবং আরও দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করেন।

শহিদুল ইসলামের অভিযোগ, বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে পুলিশ সদস্যদের পরিচয় ও সেখানে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া কামালকে গ্রেপ্তারের জন্য তারা এসেছেন।
তবে অভিযোগকারীর দাবি, এ সময় এক অজ্ঞাত পুলিশ সদস্য তার ছেলের কক্ষের ওয়ারড্রবের ড্রয়ার খুলে ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া স্বর্ণের বালা, ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, ১০ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের টিকলি এবং নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যান। অভিযোগে এসব স্বর্ণালংকারের মূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মালামাল নিয়ে যেতে বাধা দিলে এএসআই সেকেন্দার আলী শহিদুল ইসলামকে থাপ্পড় মেরে ফেলে দেন। এ সময় তার ছেলে ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ভাড়াটিয়া কামালকে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং অভিযোগে উল্লেখ করা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম।

শহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস ছিল, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা নষ্ট হচ্ছে। তারা আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে গিয়ে আমার কক্ষে প্রবেশ করে ওয়ারড্রব থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায় বলে আমি অভিযোগ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু মালামাল নেওয়াই নয়, বাড়ির মালিক হিসেবে আমার সঙ্গেও আসামির মতো আচরণ করা হয়েছে। আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। একই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাশিমপুর থানার এএসআই সেকেন্দার আলী। তিনি বলেন, পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া মডেল থানার এসআই লুৎফরসহ পুলিশের একটি দল আসামি গ্রেপ্তারের জন্য ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। তিনি শুধু তাদের আইনি সহযোগিতা করেছেন।

এএসআই সেকেন্দার আলী বলেন, “চোরাই মাল উদ্ধারের জন্য ওই পুলিশ দল বাড়িটি তল্লাশি করেছে। তবে অভিযানের সময় স্বর্ণালংকার বা নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগে যে লুটপাটের কথা বলা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ১ নম্বর অভিযুক্ত তৌহিদ উদ্দিন সোহাগ কে মুঠোফোন কল করলে তিনি বলেন, “থানা পুলিশের অফিসার সেকেন্দার ভাই আমার পরিচিত তাই তাকে তার চাওয়া অনুযায়ী বাড়ি চিহ্নিত করতে সহযোগিতা করেছি। এছাড়া অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.