1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

খানসামায় দেশ রূপান্তর ও জনমতের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন প্রধান শিক্ষিকা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ দেখেছেন

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার মধ্য সুবর্ণখুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে নিয়ে জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর ও স্থানীয় দৈনিক জনমত পত্রিকায় “প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা জেবুন নেছা।
গত ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তথ্যগতভাবে ভুল, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেদনে বিদ্যালয় ও এলাকার পরিচয় থেকে শুরু করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এতে তাঁর সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

প্রধান শিক্ষিকার দাবি, প্রতিবেদনে ঘটনাস্থল হিসেবে “দিনাজপুরের মধ্য খানসামা উপজেলা” উল্লেখ করা হয়েছে, যা প্রশাসনিকভাবে সঠিক নয়। কারণ “মধ্য খানসামা উপজেলা” নামে কোনো প্রশাসনিক উপজেলা নেই। একই প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের নাম “সুবর্ণখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” উল্লেখ করা হলেও প্রকৃত নাম “মধ্য সুবর্ণখুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদনে সাংবাদিকের সরেজমিন পরিদর্শনের প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষিকাসহ চারজন শিক্ষক ও একজন দপ্তরীকে বিদ্যালয়ে পাঠদানে নিয়োজিত দেখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেবুন নেছার দাবি, প্রতিবেদনে উল্লিখিত দিনে তিনি ছুটিতে ছিলেন। ফলে ওই দিন তাঁকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ও পাঠদানরত দেখানোর তথ্য কীভাবে প্রতিবেদনে এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এ ছাড়াও ঢাকা টুডের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সত্যিকার অর্থে ঐদিন প্রধান শিক্ষিকা জেবুন নেছা ছুটিতে ছিলেন এবং তার উপযুক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে হাজিরা বইতে ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে প্রধান শিক্ষিকার হোয়াটসঅ্যাপে একটি কপোতোকথন ঢাকা টুডের প্রতিনিধির হাতে রয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিবেদনে “ইসলাম আলী” নামে এক সহকারী শিক্ষকের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে ওই নামে কোনো সহকারী শিক্ষক কর্মরত নেই বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষিকা। তাঁর মতে, উদ্ধৃত ব্যক্তির পরিচয়, পদবি ও বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।

সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়ার অভিযোগের বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছেন জেবুন নেছা। তাঁর দাবি, এ অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদনে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ, হাজিরা খাতার তথ্য, উপস্থিতির রেকর্ড কিংবা কর্তৃপক্ষের নথি উপস্থাপন করা হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি নির্ধারিত নিয়মে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত রেকর্ড থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রতিবেদনে অনিয়ম, দুর্নীতি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া, অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে। এসব অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট সরকারি নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষিকা।

প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার প্রসঙ্গে জেবুন নেছার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়টি নিয়ে তিনি জানিয়েছেন যে, দেশ রুপান্তর পত্রিকায় ওই প্রতিনিধি তার সাথে কখনো যোগাযোগই করেননি। তবে মোস্তফা নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করেছেন মর্মে অস্বীকার না করে তিনি বলেন, তাঁর বক্তব্য না পাওয়া গেলেও গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, সরকারি রেকর্ড ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে অভিযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন ছিল।

প্রধান শিক্ষিকার পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না গিয়ে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর প্রতিটি তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করে প্রকৃত সত্য সামনে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিবাদকারী জেবুন নেছা বলেন, সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি সত্যতা, বস্তুনিষ্ঠতা, তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ। তাই প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত সত্য পাঠকের সামনে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.