অনিয়ম, দুর্নীতি আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বস্তি ও উন্নয়নের নতুন ধারায় ফিরছে দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিগত সরকার এবং সাবেক নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর প্রভাব ও স্থানীয় ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির কারণে বিগত ১৭ বছর এলাকাটি অবহেলিত ও সরকারি দপ্তরে অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরীর নিরলস প্রচেষ্টা ও সার্বক্ষণিক তদারকিতে বদলে যেতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরগুলোর চিত্র।
সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত
অতীতে সাধারণ মানুষ সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবা পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হলেও বর্তমানে তা অতীত। সংসদ সদস্যের কঠোর নজরদারির ফলে বিরল ও বোচাগঞ্জ উপজেলার সরকারি কার্যালয়গুলোতে ফিরে এসেছে শৃঙ্খলা। দূর হয়েছে ঘুষ ও দুর্নীতি। সাধারণ নাগরিকরা এখন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই তাদের কাঙ্ক্ষিত সরকারি সেবা পাচ্ছেন।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্রের নিয়ন্ত্রণে এখানে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের কারবার বিস্তৃত ছিল। বর্তমান এমপি আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। মাদক সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে এবং চোরাকারবারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের সুবিধার্থে তিনি নিজ অর্থায়নে থানায় গাড়ি প্রদান করেছেন। এর ফলে আইনশৃঙ্খলার দ্রুত উন্নতি ঘটছে এবং সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা বোধ ফিরে এসেছে।
স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও কৃষকদের সুরক্ষা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে এমপি পিনাক চৌধুরী নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কিনে দিয়েছেন। নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, অতীতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হলেও, বর্তমান এমপির সরাসরি নজরদারির কারণে এখন তারা পণ্যের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন।
তারেক রহমানের কাছে মন্ত্রী হিসেবে পাওয়ার দাবি
বিগত সময়ের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া এই জনপদকে আধুনিক ও উন্নত আসনে রূপান্তর করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পিনাক চৌধুরীকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন দিনাজপুর-২ আসনের সাধারণ জনগণ। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তাঁকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে এই অঞ্চলের উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে।