দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত সচিব মো. সামীমুজ্জামান বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করা এই কর্মকর্তা দেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, টেকসই ও বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে সুদৃঢ় কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
তার কর্মজীবনের নানা দিক ও আগামীর পর্যটন রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত:
সুদীর্ঘ কর্মজীবন ও বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) চৌকস কর্মকর্তা মো. সামীমুজ্জামান প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছেন। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রেষণে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও গতিশীলতা আনায় বিশেষ অবদান রাখেন। এছাড়া তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে চাকরি ন্যস্ত হওয়ার মাধ্যমে এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরাসরি কাজ করার অনন্য অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছেন।
পর্যটন খাতে নতুন চেয়ারম্যানের ইতিবাচক প্রভাবঃ
যোগদানের পর থেকেই তিনি পর্যটন কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম আধুনিকায়নে জোর দিয়েছেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে ইতোমধ্যে পর্যটন কর্পোরেশনের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলের সেবার মান উন্নয়ন এবং নতুন পর্যটন স্পটগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলার রূপরেখা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
তার হাত ধরে যে ইতিবাচক পরিবর্তনগুলো আসছে:
সেবার মান উন্নয়ন: দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা আবাসন ও রেস্তোরাঁগুলোর সেবার মান বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের জন্য বিশ্বমানের আতিথেয়তা নিশ্চিত করা।
টেকসই ট্যুরিজম ও মাস্টারপ্ল্যান: দেশের পর্যটনকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নেওয়া সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে গতি আনা।পেশাদারিত্ব ও প্রশিক্ষণ: পর্যটন পেশাজীবীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন ও দক্ষ জনবল তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে সমন্বয়: নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মীদের সাথে পরিচিতিমূলক সভার মাধ্যমে কাজের গতি বাড়াতে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মো. সামীমুজ্জামানের এই যুগোপযোগী নেতৃত্ব ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে বাংলাদেশের পর্যটন খাত যেমন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে, তেমনি দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।