1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসের নিচে লাইসেন্সবিহীন খারিজের দোকানের হিড়িক, আঙুল ফুলে কলা গাছ দোকান মালিকেরা

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

জমির নামজারি (মিউটেশন) ও খারিজের লাইসেন্সবিহীন দোকানগুলো যেন আশুলিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নিচেই পসার সাজিয়ে বসেছে। প্রতিদিন এসব অবৈধ দোকানে হাজার হাজার টাকার লেনদেন হচ্ছে, আর কম্পিউটার দোকান মালিকরা হচ্ছেন আঙুল ফুলে কলা গাছ । অথচ এসব কার্যক্রমের কোনো বৈধতা নেই, নেই কোনো তদারকি।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এসিল্যান্ড অফিসের আশপাশে গড়ে ওঠা এসব দোকানে সাধারণ মানুষকে নামজারি ও খারিজের কাজ দ্রুত করার প্রলোভন দেখানো হয়।অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজে দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে এবং তারা ভূমি অফিসের কিছু উমেদারদের সাথে যোগসাজশে কাজ করছে।

এ অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।শুধু তাই নয় অভিযোগ রয়েছে আশুলিয়ার শিমুলিয়া তহসিল অফিসের আশপাশে রয়েছে প্রায় ১০ টির অধিক দোকান, তারাও খাজনা দেওয়া গ্রহীতাদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিয়ে খারিজের কাজ।তারাও এসকল কাজ নিয়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এতে জিম্মি হয়ে পরেছে এসিল্যান্ড অফিস সহ সেবা গ্রহীতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করে কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন নামজারি কার্যক্রম ও অবৈধ দোকানপাট দেখতে পান। প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে প্রতিমন্ত্রীর সেই নির্দেশের পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। উল্টো আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, “আমার জমির খারিজের কাগজপত্র সব ঠিক ছিল, কিন্তু এসিল্যান্ড অফিসে আবেদন করলে তারা নানা অজুহাত দেখায়।পরে একজন কম্পিউটার দোকান মালিকের মাধ্যমে কিছু টাকা দেই, টাকা নেওয়ার পর একদিনেই কাজ হয়ে যায়”।

এসব অবৈধ দোকানকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভূমি অফিসের কিছু উমেদারদের বিরুদ্ধেও।অনেক সেবাপ্রার্থী বলছেন, এসিল্যান্ড অফিস যেন ‘অভিভাবকহীন’ হয়ে পড়েছে। অথচ আইন অনুযায়ী, নামজারি বা মিউটেশন করতে হলে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন করতে হয়।কিন্তু সাধারণ মানুষ লাইসেন্সবিহীন এসব দোকানের কাছে বাধ্য হচ্ছেন।

প্রশ্ন উঠেছে, ভূমি প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশ উপেক্ষা করে কীভাবে এসব অবৈধ কার্যক্রম অব্যাহত থাকছে? ভূমি অফিসের আইনি সেবা নিশ্চিত কর।তে এসব লাইসেন্সবিহীন দোকানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীজন ও ভুক্তভোগী সেবাপ্রার্থীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.