1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

সরকারি ফ্রি ওষুধ বিক্রির অভিযোগ বন্দর এলাকায় কথিত চিকিৎসক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধুমপাড়া সাগরপাড় পকেট গেট এলাকায় সরকারি ফ্রি ওষুধ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় “বার আউলিয়া ফার্মেসী” নামের একটি ওষুধের দোকানের মালিক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সরবরাহকৃত ওষুধ অবৈধভাবে বিক্রির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ধুমপাড়া সাগরপাড় এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ হাফছা আক্তার তার অসুস্থ শিশুর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে স্থানীয় “বার আউলিয়া ফার্মেসী”তে যান। এ সময় দোকান মালিক মিজানুর রহমান শিশুর জন্য “এজিথ্রোমাইসিন সাসপেনশন ৩০ মিলি” নামের একটি ওষুধ সরবরাহ করেন। পরে ওষুধটির মোড়ক পরীক্ষা করে দেখা যায়, এটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেড (EDCL) কর্তৃক উৎপাদিত সরকারি সরবরাহকৃত ওষুধ।

অভিযোগকারী হাফছা আক্তার জানান, উক্ত ওষুধের মূল্য হিসেবে তার কাছ থেকে ১৪৫ টাকা নেওয়া হয়। এ সময় তিনি ওষুধের ক্রয় রসিদ বা ভাউচার চাইলে দোকান মালিক তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন বলেও দাবি করেন।

অভিযোগকারী মোছাঃ হাফছা আক্তার, পিতা- বাদশা মিয়া, মাতা- মাজেদা খাতুন, পেশায় চাকরিজীবী। তিনি ধুমপাড়া সাগরপাড় পাবলিক স্কুল রোড এলাকার রিপনের ভবনের তৃতীয় তলার বাসিন্দা।

স্থানীয় কয়েকজন ওষুধ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারি ওষুধ সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগী দেখেন এবং প্রেসক্রিপশনও প্রদান করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদকের কাছে সরকারি ওষুধ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতিটি ওষুধ ৮০ টাকা দরে সংগ্রহ করেছেন। একইসঙ্গে গত কয়েক মাস ধরে এ ধরনের ওষুধ বিক্রির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে মিজানুর রহমান আরও জানান, তার কাছে কোনো বৈধ চিকিৎসা সনদ, ড্রাগ লাইসেন্স কিংবা ট্রেড লাইসেন্স নেই। প্রতিবেদকের হাতে থাকা ছবি ও তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উদ্ধারকৃত “এজিথ্রোমাইসিন” সিরাপের বোতলে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে “এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেড (EDCL)” এর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ ধরনের ওষুধ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় বিনামূল্যে বিতরণের জন্য নির্ধারিত।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি ওষুধ কোনো বেসরকারি ফার্মেসিতে বিক্রির অনুমতি নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সরকারি ওষুধ অবৈধভাবে বিক্রি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া চিকিৎসাসেবা প্রদান জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা দ্রুত তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.