1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

হামলার পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাফিয়া’ সুয়েল, শাহ আরেফিন টিলায় আতঙ্ক

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তের শাহ আরেফিন টিলায় অবৈধ পাথর রাজ্যের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি বাহিনীর ওপর হামলার অন্যতম হোতা এসকে সুয়েল এখন মুর্তিমান আতঙ্ক। য়েল মিয়া’ বর্তমানে এলাকার ‘পাথর খেকো’ সিন্ডিকেটের মূল চালিকাশক্তি। অভিযোগ রয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা ফয়জুর রহমানের যাবতীয় অবৈধ কারবার ও পাথর সাম্রাজ্য এখন এককভাবে পরিচালনা করছে এই সুয়েল। ফয়জুর রহমানের ‘ম্যানেজার’ পরিচয়ে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমানের ‘সেকেন্ড-ইন-কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত সুয়েল বর্তমানে তার ছায়া হয়ে কাজ করছে। রাজনৈতিক প্রভাবে সে প্রশাসনের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ করে শাহ আরেফিন টিলার পাথরের ‘লাইন’ নিয়ন্ত্রণ করে। বিনিময়ে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা। ফয়জুর রহমানের পরিবহন ব্যবসার আড়ালে পাথর পাচারের যাবতীয় তদারকি করে এই সুয়েল। ফলে ফয়জুরের পাথরবাহী গাড়িগুলো পুলিশ কখনোই আটক করার সাহস পায় না।
গত ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভোলারগঞ্জ এলাকায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে যাওয়া পুলিশ ও বিজিবির যৌথবাহিনীর ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানায় দায়ের করা সেই মামলার (মামলা নং-৩০/২০২৬) ১৯ নম্বর আসামী এই এসকে সুয়েল। এজাহারে তার বিরুদ্ধে সরাসরি সরকারি কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। স্থানীয়দের দাবি, সে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে ‘খুঁজে পাচ্ছে না’।
সুয়েলের অন্যতম পেশা হলো পাথর লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো ‘ডিল’ করা। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে সে প্রকৃত আসামীদের নাম বাদ দিয়ে এলাকার নিরপরাধ কলেজ ছাত্র, স্কুল শিক্ষক ও সাধারণ মানুষকে আসামী করে। যারা তাকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করে, তাদের নাম সুকৌশলে এজাহারে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে সে নিরীহ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে
ভোলারগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ এসআই কামরুলের ‘প্রধান সেনাপতি’ হিসেবে কাজ করতো এই সুয়েল। সেই সুবাদে সে নিজেকে পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে জাহির করে এলাকার মানুষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে। এসআই কামরুলের মদদে পাথর বোঝাই ট্রাক প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার মধ্যস্থতাও করতো সে। এমনকি এসআই কামরুল বদলি হওয়ার পর তার নির্দেশেই বেশ কয়েকবার পুলিশের ওপর সুয়েলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
যৌথবাহিনীর ওপর হামলার আসামী, নিষিদ্ধ রাজনীতির মদদপুষ্ট এবং পাথর চোর সিন্ডিকেটের এই হোতা এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে কোম্পানীগঞ্জের মানুষ। কেন একজন চিহ্নিত আসামী গ্রেফতার হচ্ছে না? কার ইশারায় সে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? সিলেটের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এখন এই একটাই প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
সিলেটের শাহ আরেফিন টিলার পরিবেশ ও জননিরাপত্তা রক্ষায় এই দুর্ধর্ষ অপরাধীকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। একজন চিহ্নিত আসামী গ্রেফতার না হওয়া এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এই নীরবতা সুয়েলের মতো অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.