1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

একফোঁটা বৃষ্টিতেই ভেসে যায় স্বপ্ন

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার ৭নং সেখমাটিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের রামভদ্রা গ্রামের এক কোণে আজও নিঃশব্দে বেঁচে আছে এক হৃদয়বিদারক গল্প ,একটি পরিবারের না বলা কান্না, যাকে দেখার যেন কেউ নেই, শোনারও কেউ নেই।
সেই আর্তনাদের নাম আঃ রহমান ফকির। মৃত আঃ গনি ফকিরের ছেলে তিনি। জীবনের নির্মম বাস্তবতা যেন প্রতিটি মুহূর্তে তাকে আঘাত করে চলেছে। যেখানে মানুষের ন্যূনতম চাহিদা একটি নিরাপদ আশ্রয়, সেখানে তার ঘর বলতে রয়েছে কয়েকটি বাঁশের খুঁটি আর ছেঁড়া নাড়ার ছাউনি। সামান্য বাতাসেই কেঁপে ওঠে সেই আশ্রয়, আর বৃষ্টি নামলেই তা পরিণত হয় পানিতে ভেসে যাওয়া এক অসহায় বসতিতে।
বৃষ্টির পানি টপটপ করে ঝরে পড়ে ঘরের ভেতরেই। ভিজে যায় বিছানা, নষ্ট হয় খাবার, আর সেই সঙ্গে ভিজে যায় তার তিনটি সন্তানের ছোট ছোট স্বপ্ন। অসহায় শিশুগুলো ভেজা মাটিতে কাঁদতে কাঁদতে রাত কাটায় একজন বাবার জন্য এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে?
স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট এই পরিবারটির জীবন যেন দারিদ্র্যের সঙ্গে এক অবিরাম যুদ্ধ। পেশায় একজন সুইপার, দিনভর কঠোর পরিশ্রম করেও যা উপার্জন করেন, তা দিয়ে কোনোমতে চলে সংসার। এর ওপর শারীরিক অসুস্থতা তাকে আরও অসহায় করে তুলেছে। ঠিকমতো হাঁটাচলাও করতে পারেন না, তবুও পরিবারের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দিতে প্রতিদিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
বর্ষা এলেই তাদের জীবনে নেমে আসে দুর্ভোগের কালো ছায়া। একফোঁটা বৃষ্টিই যেন তাদের জন্য আতঙ্কের কারণ। রাতভর পানি ঢোকে ঘরে, শিশুরা কাঁদে, আর বাবা-মা অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকেন কিছুই করার থাকে না।
এই অসহায় পিতার একটাই স্বপ্ন একটি নিরাপদ ঘর।
একটি এমন আশ্রয়, যেখানে তার সন্তানরা অন্তত বৃষ্টির রাতে ভিজবে না, যেখানে তার স্ত্রী একটু নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন আর যেখানে তিনি নিজের অসুস্থ শরীর নিয়ে খুঁজে পাবেন সামান্য শান্তি।
আঃ রহমান ফকির এখনও আশায় বুক বাঁধেন হয়তো একদিন তার ভাগ্যেও জুটবে একটি পাকা ঘর। যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলতে পারবেন, এটাই আমার ঠিকানা।
এই আশায় তিনি সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানিয়েছেন যেকোনো সরকারি সহায়তার মাধ্যমে যেন তাকে একটি বাসযোগ্য ঘর প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে ৭নং সেখমাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ডা. মো: আল মুক্তাদির রাব্বি বলেন,
আমি ভিডিওতে দেখেছি, তারা সত্যিই অত্যন্ত দরিদ্র অবস্থায় জীবনযাপন করছে। তাদের মানবেতর জীবনযাপন অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও হৃদয়বিদারক। বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। আমি ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করব।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.