১৯৭১ সাল স্বাধীনতা যুদ্ধে জন্মভূমি বাংলার সার্বভৌম রক্ষার্থে,দুঃসাহসী বাঙালি জাতি,স্বয়ংসম্পূর্ণ পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যার কাছে যা ছিল তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।সেই যুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে আসে। স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার জীবন দিতে হয়েছে, দুই লক্ষ মা বোনের সম্মানানী হতে হয়েছে। সেই গণহত্যায় মূলাদী উপজেলাও বাদ পড়েনি ২৪ জুলাই মুলাদী উপজেলার সাধারণ মানুষের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বড়বড়ো চিত হামলার শিকার হয়ে মুলাদী পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ড পাতারচর গ্রামে ৩২ জন মানুষ শাহাদাত বরণ করেন। ২৫ শে মার্চ ছিল কাল রাত কিংবা গণহত্যা দিবস। ঐদিন দেশের বুদ্ধিজীবী, সামাজিক সাংস্কৃতি মানুষগুলো ধরে ধরে হত্যা করে পাক বাহিনী। ২৫ মার্চ সকাল দশ ঘটিকায় শহীদের স্মরণে পাতারচর গ্রাম বদ্ধভূমিতে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুলাদী উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম সরওয়ার, মুলাদী থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরাফাত জাহান চৌধুরী। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড মোঃ শুকুর আহমেদ খান, উপজেলা বিএনপি আহবায়ক অধ্যাপক শরীয়তুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান হুমায়ুন,মুলাদী পৌরসভা বিএনপি আহবায়ক এনামুল হক ইনু, মুলাদী উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব কাজী কামাল হোসেন, মুলাদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন,সাবেক বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহানেওয়াজ,উপজেলা কৃষি অফিসার,উপজেলা মৎস্য অফিসার,উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা পল্লী দারিদ্র বিমোচন অফিসার, উপজেলা প্রকল্প অফিসার, উপজেলা প্রকৌশালী এলজিইডি, পৌরসভা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দিন মুন্সি, পৌরসভা বিএনপি আহ্বান কমিটির সদস্য আলম খান, পৌরসভা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কবি ও সাংবাদিক মোঃ আতিকুর রহমান মিরন, পৌরসভা বিএনপি আহ্বায় কমিটির সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, মুলাদী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন মোল্লা, মুলাদী রিপোর্টার্স ইউনিট সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মল্লিক সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের মোয়াজ্জিন শরিয়াতুল্লাহ। উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, এবং সেই ভয়াবহ ২৫ শে মার্চের বিবরণ তুলে ধরেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পৌরসভা বিএনপি আহবায়ক জনাব এনামুল ইনু। স্বাধীনতা যুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা স্মরণ করে বলেন সেই দিন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে দেশ হয়তো স্বাধীন হতো না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেলাম। লাল সবুজ পতাকা আমাদের অহংকার।