বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার ৬ নং বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে গতকাল ১৪মার্চ আনুমানিক সকাল ৯:৩০ মিনিটে শাহ আলম মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করেন। একই এলাকার মিন্টু মাতুব্বর। মামলা সূত্রে জানা যায় শাহ আলম মিয়া দীর্ঘদিন ৬ নং বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে মাধব রায়,গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে মুদিসহ একটি চায়ের দোকান করেন। গতকাল মোরশেদ মাতুব্বরের ছেলে মিন্টু মাতুব্বর। শাহ আলম মিয়ার দোকানে বাকিতে সিগারেট চাইলে মুদি দোকান ব্যবসায়ী শাহ আলম মিয়া অনিহা জানায়। অতঃপর মিন্টু মাতুব্বর উত্তেজনা হয়ে কাছে থাকা মুগর দিয়ে শাহ আলমের মাতা লক্ষ করে বাড়ি দিয়ে ফাটিয়ে ফেলে। শাহ আলম মিয়া রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাহার নাক মুখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। উপস্থিত সাক্ষী গন দৌড়াইয়া এসে শাহ আলম মিয়াকে উদ্ধার করে। বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্য নিয়ে যান। কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর অবস্থা অবনতি দেখে শাহ আলমের স্ত্রী নাজমা বেগমকে দ্রুত ঢাকা নেওয়ার পরামর্শ দেন। নাজমা বেগম একটি অটোরিকশা করে শাহ আলম মিয়াকে ঢাকা নেওয়ার প্রস্তুতি নেন। প্রথম মাঝে অপরিচিত একটি ক্লিনিকে শাহ আলম মিয়াকে চিকিৎসা করানোর জন্য ওই ক্লিনিকে অবস্থান নেন। ডাক্তার ইসিজি করাতে বললে। নাজমা বেগম তার স্বামীকে ইসিজি করাবার পরে, কর্তব্যরত ডাক্তার শাহ আলম মিয়াকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। অবশেষে কাহার লাশ বাড়িতে নিয়ে চলে আসি। অতঃপর কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জনবিউল হাসান লাশ ময়নাতদন্ত পাঠান। অবশেষে গতকাল রাতেই নাজমা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা সূত্রে মিন্টু মাতুব্বর কে পুলিশ গ্রেফতার করেআজ ১৫মার্চ সকালে মিন্টু মাহাতব্বার কে আদালতে প্রেরণ করেন।