1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

বগুড়া উপশহরের ১৭ ও ২১ নম্বর রোড এখন অবরুদ্ধ: শজিমেক চিকিৎসকের বাড়ি নির্মাণে জিম্মি এলাকাবাসী

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

বগুড়া শহরের অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উপশহরের ১৭ ও ২১ নম্বর রোডের বাসিন্দারা এখন এক অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক মাহফুজুর রহমানের নির্মাণাধীন বাড়ির কারণে এই দুই সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা এখন প্রায় ‘অচল’। একজন চিকিৎসক হয়েও জনস্বাস্থ্যের তোয়াক্কা না করে রাস্তাঘাট নোংরা করা এবং যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১৭ নম্বর রোডের শেষ মাথায় ডাক্তার মাহফুজের বাড়ি নির্মাণের জন্য আসা বড় ট্রাকগুলো প্রায়ই রাস্তা বন্ধ করে মালামাল খালাস করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি একটি সিমেন্টবাহী বড় ট্রাক ঘোরানোর সময় চাকা ড্রেনের ভেতর ফেলে দেওয়ায় পুরো যাতায়াত ব্যবস্থা দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এ- ধরনের ঘটনা এখানে নিত্যদিনের। সরু এই আবাসিক রাস্তায় নিয়ম না মেনে একের পর এক ভারী ট্রাক ঢোকানোর ফলে ড্রেন ও রাস্তার স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলের পথকে রুদ্ধ করে দিচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, ডাক্তার মাহফুজ উনার নির্মাণ সামগ্রী (বালু, ইট, পাথর) নিয়ম ভেঙে প্রতিবেশীদের বাড়ির দেয়াল ঘেঁষে এবং রাস্তার ওপর স্তূপ করে রাখছেন। ট্রাক থেকে সিমেন্ট নামানোর সময় এলাকা ধুলোয় অন্ধকার হয়ে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যিনি হাসপাতালে মানুষের চিকিৎসা দেন, উনার বাড়ির ধুলা আর কাদা-বালিতে আজ পুরো এলাকার মানুষ অসুস্থ হওয়ার পথে। প্রতিবাদ করলে তিনি পাত্তাই দিচ্ছেন না।”

উপশহরের বাসিন্দারা এই ‘জিম্মি দশা’ থেকে মুক্তি পেতে বগুড়া পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তাদের সুনির্দিষ্ট দাবি:  আবাসিক এলাকার পরিবেশ নষ্ট করার দায়ে এবং রাস্তা দখল করে জনগণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সংশ্লিষ্ট বাড়ি মালিকের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোটা অংকের জরিমানা করতে হবে।
রাস্তা ও ড্রেনের যে ক্ষতি হয়েছে, তার যথাযথ ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।
রাস্তা থেকে জমে থাকা কাদা-বালু-মাটি অবিলম্বে পরিষ্কার করে চলাচলের উপযোগী করতে হবে।
উন্নয়ন হোক নিয়ম মেনে—কারও পেশাগত প্রভাব বা দাপটে সাধারণ মানুষ কেন কষ্ট পাবে? এই প্রশ্ন এখন ১৭ ও ২১ নম্বর রোডের প্রতিটি বাসিন্দার।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.