1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ: লাইসেন্স পেতে চালকদের ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

২৭ জানুয়ারি ২০২৬  ঢাকার তেজগাঁওস্থ বিআরটিসি’র প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট-এ ‘‘‍শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)” এর আওতায় পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক/শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বে নিয়োজিত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে নিজের সবচেয়ে বড় গ্লানি হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে, অথচ তা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এর প্রধান বাধা আমলাতন্ত্র, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধহীনভাবে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।

কমিটির মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের বর্তমান পদ্ধতি পৃথিবীর সবচেয়ে উদ্ভট নিয়মগুলোর একটি উল্লেখ করে সড়ক উপদেষ্টা বলেন, এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে গাড়ি চালানোর দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।

সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা আরো বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা, সড়কে মৃত্যুর হার কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ু দূষণ কমিয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা। এ সময় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার আহবান জানান উপদেষ্টা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে এই উদ্যোগ সফল করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকের আয়োজনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দেশের ৫৪ বছরের বাস্তবতায় আমরা কার্যকরভাবে খুব কম কাজই করেছি। এই বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে প্রথমবারের মতো একটি বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে, যা সফল হবে তখনই যখন চালকরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারবেন। হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় চালকদের এ কথা উল্লেখ করে পরিবেশ উপদেষ্টা আরো বলেন, শব্দদূষণ বিধিমালার আওতায় পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করতে পারবেন।

পরিবেশ উপদেষ্ঠা বলেন, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বা শুধু জরিমানা করে মানুষের আচরণ পরিবর্তন সম্ভব নয়। মানুষের কল্যাণে এই উদ্যোগ-এই বোধ চালকদের অন্তরে ধারণ করতে হবে। বায়ু দূষণের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বায়ু দূষণে বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে বিআরটিসির অনেক বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন দ্রুত বন্ধ করতে বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়) বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবহন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান সরকার এ খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তিনি আরোও বলেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে চালকদের কখন হর্ন ব্যবহার করতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে লেন পরিবর্তন করতে হবে, ট্রাফিক সংকেত সংক্রান্ত নিয়মকানুন এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হবে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে যা সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.