1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

বদলগাছীতে তিন ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধের অভিযোগ দিলে ও শক্ত ভুমিকা নেই প্রশাসনের , রাতে মাটি কেটে ইট ভাটায়।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর তিন ফসলি জমি মাটি কাটা বন্ধের লিখিত অভিযোগ দিলেও প্রশাসনের শক্ত ভুমিকা না থাকায় বিশিষ্ট মাটি ব্যাবসায়ী বিবাদী আঃ সালাম দিনের বেলা মাটি না কেটে গভীর রাতে মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রয় করছেন।
গতকাল। এলাকাবাসী সুএে জানা যায় সরাবাড়ীর মিলন হোসেন,কসবার আঃ সালাম, খোজাগারীর রায়হান , কতিপয় নেতাদের সঙ্গে আতাত করে গভীর রাতে ভুমির শ্রেণী পরিবর্তন করে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন । গভীর রাতে গাড়ির শব্দে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের নেই ঘুম অবৈধভাবে ভিটা মাটি লুট: প্রশাসনের চোখের সামনে আইন ‘জিম্মি’গত ১৯ জানুয়ারি রায়হান ও সালামের পয়েন্ট এলাকায়
ট্রাক আটক করে ছেড়ে দিলে সহকারী কমিশনারের ভূমিকা ঘিরে বিস্ফোরক প্রশ্ন উঠে এলাকায়।
অবৈধ ভিটা মাটি কাটা যেন এখন আর গোপন কোনো অপরাধ নয়—বরং প্রশাসনের চোখের আড়ালে সূর্য উঠার আগেই। দিনের আলোতে এক ‘আইনবহির্ভূত শিল্প’। মিঠাপুর ইউনিয়নের কসবা মৌজা সংলগ্ন চকগোপিনাথ মৌজায় তিন ফসলি ভিটা মাটি কেটে বিক্রি করা হলে বদলগাছী ভুমি অফিসে গত ১৫/০১/২৬ তারিখে কসবা গ্রামের শ্রী অভয় লাগরার ছেলে রনজিত এবং স্হানীয় সাংবাদিক এনামুল কবীর এনাম বাদী হয়ে অভিযোগ দিলেও প্রশাসনের বিবেকের নীরবতায় ঐ অপরাধী আঃ সালাম রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।
রাতের আঁধারে ও প্রশাসনের সামনে শেষ প্রশানিক দায়িত্ব বোধ বিবেক বলে
স্থানীয়দের স্বচেতন মহলের মন্তব্য। কসবা গ্রামের আঃ সালাম,রুবেল, জুয়েল ও রাইহান নামে ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছএ ছায়ায় প্রতিদিন ভোররাত ২টা থেকে সকাল ৯–১০টা প্রর্যন্ত অবৈধভাবে ভিটা মাটি কেটে ট্রাকযোগে বিভিন্ন ইটভাটা ও প্রকল্পে সরবরাহ করে আসছেন। বছরের পর বছর ধরে কর্ম চললেও রহস্যজনকভাবে কখনোই আইনী ব্যবস্থা কোন দিন তাদের উপর হয়নি।
হাতেনাতে প্রমাণ দেখে দিল বাদী তবুও নেই আইনের প্রয়োগ কারীর বিবেক।

কি বলিব দুঃখের কথা গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ৯টায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদলগাছী মোঃ পলাশ উদ্দীন নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাটি ভর্তি একটি কাকড়া ট্রাক আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন প্রশাসনিক সঠিক সঠিক ভুমিকার, কিন্তু বাস্তব চিত্র রহস্য ময়,কারন ট্রাকটি তখন অবৈধভাবে কাটা ভিটা মাটি বহন করছিল পয়েন্টে।
কিন্তু কি বলিব দুঃখের কথা এখানেই প্রশ্নের বিস্ফোরণ,
অপরাধী ধরা পড়ার পর এবং অবৈধ মাটি কাটা বন্ধের অভিযোগ দিলেও মোবাইল কোর্ট হয় না। মামলা ও হয় না—বরং কিছুক্ষণ পর অজ্ঞাত কারণে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়। এটি কি আইনের ব্যার্থতা, নাকি প্রশাসনিক স্বদিচ্ছা বিবেকের অভাব?
ভুমি আইন কি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ?
ভূমি ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া ভিটা বা কৃষি জমির মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ,তাহলে লিখিত অভিযোগের ভুমিকা দেখতে পাচ্ছে না এলাকাবাসী। অপরাধের প্রমাণ সরাসরি উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও আইন প্রয়োগ না হওয়া মানে—আইনকে কার্যত প্রকাশ্যেই “বৃদ্ধাঙ্গুলি” দেখানো মনে করছেন স্বচেতন মহল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন নজির অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—“ধরা পড়লেও শাস্তি নেই”। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ ও কৃষিজমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতা ভয়াবহভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
প্রশাসনের নীরবতা—অপরাধের সবচেয়ে বড় শক্তি?
ঘটনাটি জানাজানি হতেই কসবা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন—যদি সহকারী কমিশনারের উপস্থিতিতেই অপরাধের বিচার না হয়, তাহলে আইন প্রয়োগের জন্য কে?
এই বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ পলাশ উদ্দীনের কাছে মোবাইল ফোনে সাংবাদিক এনাম জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ পেয়েছি আমি ইউনো স্যারের সাথে কথা বলে শক্ত ভুমিকা নিব।
কিন্তু অভিযোগটি নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, বদলগাছীতে অবৈধ মাটি কাটার পেছনে একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যাদের ছত্রছায়া না থাকলে দিনের পর দিন এভাবে মাটি লুট সম্ভব হতো না। অভিযোগের দুই নম্বর বাদী সাংবাদিক এনাম অবিলম্বে—ভুমি দপ্তরের নিরপেক্ষ সঠিক তদন্ত সহ
দায়িত্ব অবহেলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবী করেন।
এক নম্বর বাদী রনজিত কুমার জানান আমরা আদিবাসী, আদিবাসীদের জমি কিনতে জেলা প্রশাসকের পাওয়ার থাকার কথা কিন্তু নেই, বিবাদী সালাম ও শিক্ষক রাষ্ট্রম অবৈধ উপায়ে ভুয়া দলিলে মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রি করছেন।
অবৈধ মাটি কাটার সিন্ডিকেট চিহ্নিত ও ভেঙে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
প্রশ্ন থেকেই যায় আইনের চোখে সবাই সমান—নাকি প্রভাবশালীদের জন্য আলাদা নিয়ম?
বদলগাছীর কসবা মৌজার এই ঘটনা আজ শুধু একটি ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার গল্প নয়; রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার এক নগ্ন চিত্র, যার জবাব এখন প্রশাসনের বিবেকের দায়িত্ব ।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.