1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলীর বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৩(জলঢাকা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ খেলাপির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়, তিনি ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র জলঢাকা শাখা থেকে গৃহীত প্রায় ৩৫ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। খেলাপি অবস্থাতেই তিনি নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র ও হলফনামা দাখিল করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার চেংমারি বড়ঘাট এলাকার বাসিন্দা আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ‘মুক্তা হিমাগার প্রাইভেট লিমিটেড’-এর নামে প্রায় ১২ কোটি টাকা, ‘এস আলী অটো রাইস মিল’-এর নামে প্রায় ১৭ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে আরও প্রায় ৬ কোটি টাকা মিলিয়ে মোট ৩৫ কোটি টাকা বর্তমানে ডিফল্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জোনাল ব্যাংক সূত্র জানায়, ব্যবসায়িক লেনদেনের অংশ হিসেবে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী এক সময় সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যাংক সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন। ঋণ পরিশোধে ব্যাঘাত ঘটায় তাঁকে ২০২৫ সালে খেলাপি ঋণগ্রহীতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে জলঢাকা শাখার ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলামের তদবিরে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১০৬ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়।

ব্যাংক সূত্র আরও জানায়, পুনঃতফসিলের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে তিনি পুনরায় ৩৫ কোটি টাকার খেলাপি ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত হন।
নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, সংসদ সদস্য প্রার্থীদের ব্যাংক ঋণ, দায়দায়িত্ব ও দেনাদারির সব তথ্য হলফনামায় সঠিকভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। তবে অভিযোগ রয়েছে, আলহাজ্ব সৈয়দ আলী তাঁর খেলাপি ঋণকে ‘পরিশোধিত’ হিসেবে উল্লেখ করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এ বিষয়ে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র জলঢাকা শাখার ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের শাখায় বর্তমানে কোনো ডিপ হোল্ডার নেই।” তবে ডিফল্ট ও পুনঃতফসিল সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার কোনো ডিফল্ট নেই।” তবে সাক্ষাৎকারের বিষয়ে ব্যস্ততার কথা বলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরবর্তীতে সাক্ষাৎকারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে আর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর জলঢাকাসহ নীলফামারীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.