1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বালু লুটপাট মামলায় স্বাক্ষীই আসামি!

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বালু লুটপাটের একটি মামলায় স্বাক্ষীকে আসামি করাসহ পুলিশের বিরুদ্ধে ‘মামলা বাণিজ্য’-এর অভিযোগ উঠেছে। মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া একাধিক ব্যক্তি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ কোম্পানীগঞ্জ থানায় কালাইরাগ, বাংকার ও সাদাপাথর এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু লুটপাটের অভিযোগে ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০-১৫০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। থানার এসআই আমিরুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন এবং ওসি শফিকুল ইসলাম খান-এর স্বাক্ষরে তা রেকর্ড হয়। মামলার নম্বর ২৪।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে অভিযুক্তরা উক্ত এলাকাগুলো থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার বালু লুটপাট করেছে।
তবে মামলার অভিযুক্ত কয়েকজনের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। মামলার ৪ নম্বর আসামি মশাহিদ আলী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কাজল সিং তাকে ফোন করে পুলিশ যেখানে বসা ছিল সেখানে যেতে বলেন। সেখানে উপস্থিত হলে পুলিশ ও কাজল মেম্বার তার কাছে জানতে চান কারা বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, তিনি বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন এবং এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
মশাহিদ আলীর ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে পুলিশ তাকে স্বাক্ষী হিসেবে একটি কাগজে স্বাক্ষর দিতে বলেন। প্রথমে অস্বীকৃতি জানালেও পরে ওয়ার্ড মেম্বারের কথায় তিনি স্বাক্ষর করেন। পরদিন সন্ধ্যায় তিনি জানতে পারেন, তাকেই মামলার ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, “যাদের নাম তখন কাগজে ছিল, তাদের অনেকের নাম মামলায় নেই। আমারসহ কয়েকজন নিরীহ মানুষের নাম যুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে প্রকৃত আসামিদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।”
একই অভিযোগ করেন মামলার ১৪ নম্বর আসামি মাসুক মিয়া। তিনি বলেন, “আমার বাড়ি ধলাই ব্রিজের পাশে। আমি ধলাই ব্রিজ রক্ষা আন্দোলনের কর্মী। বালু ব্যবসার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। গত ছয় মাসে আমি দয়ারবাজার বা কালাইরাগ এলাকায় যাইনি। পূর্বশত্রুতার জেরে টাকার বিনিময়ে আমার নাম মামলায় ঢোকানো হয়েছে বলে মনে করি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “পুলিশ ট্রাক্টর ও পেলুডার আটক করলেও কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দেয়। পরে শুনি যাদের কোনো গাড়ি বা বালু ব্যবসা নেই, তারাই মামলার আসামি। পুলিশের এসব নাটক বন্ধ হওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কাজল সিং বলেন, “মামলায় যাদের নাম এসেছে আমি তাদের চিনিনা। এসব ঝামেলায় জড়াতে চাই না।”
তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “মামলাটি তাৎক্ষণিকভাবে রেকর্ড করা হয়েছে। অধিকতর তদন্ত শেষে যদি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম পাওয়া যায়, চার্জশিট দেওয়ার সময় তা বাদ দেওয়া হবে। নিরীহ কাউকে হয়রানি করা হবে না।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.