নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মাথাভাঙ্গা মৌজায় রাবেয়া কলেজ সংলগ্ন একটি জমিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, ৫৯৭ দাগের ৬ শতক জমি নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যে নতুন করে দখলচেষ্টার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট জমিটি প্রথমে এক নারী ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে দলিলের মাধ্যমে তার জামাতা সরকারি কর্মকর্তা ডা. মেজবাহুর রহমানের নিকট হস্তান্তর করেন। তবে জমির মালিকানা, ক্রয়-বিক্রয়ের বৈধতা এবং দখল নিয়ে এলাকার আরেক পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে, যা দীর্ঘদিন ধরে বিরোধকে জটিল করে তুলেছে।
জমি সংক্রান্ত এ মামলাটি ২০২৩ সালে মো. রেজাউল করিম গং পেনশন মামলা হিসেবে দায়ের করেন বলে জানা গেছে। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ৩০ নভেম্বর ২০২৫, রোববার সকালে ডা. মেজবাহুর রহমান ও তার সহযোগীরা উক্ত জমিতে ইটের প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেছেন—এমন অভিযোগ তুলেছে বিরোধী পক্ষ। ঘটনাস্থলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
হঠাৎ এই তৎপরতায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিরোধপূর্ণ জমিতে এ ধরনের কার্যক্রম আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
ডা. মেজবাহুর রহমানের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, কর্মস্থলে প্রভাব এবং আচরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা থাকলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়দের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জমি-সংক্রান্ত সমস্যায় আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা জরুরি, যাতে বিরোধ আরও না বাড়ে এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে।