1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

চুয়াডাঙ্গায় ফুলকপি চাষে বিঘায় ৭০ হাজার লাভ, কৃষকের মুখে হাসি

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

চুয়াডাঙ্গার মাঠজুড়ে এবার শীতকালীন সবজি মৌসুমে ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার সন্তোষজনক দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফিরেছে। গত বছরের লোকসান পুষিয়ে কৃষকরা এবার স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলায় চলতি বছর ফুলকপির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৯৭৫ হেক্টর জমিতে।

ব্যাপারীরা বলছেন, গতবারের চেয়ে এবার ফুলকপির দাম বেশি। আগাম বাজারে আসার কারণেই কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। বিঘা প্রতি ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত কপি বিক্রি করছেন অনেকে। ফলে প্রতিটি বিঘা থেকেই ৫০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ মিলছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাইদঘাট গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, এবার দুই বিঘা কপি চাষে আমার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি এক লাখ ২০ হাজারে। গত বছর ক্ষতি হয়েছিল, এবার তা পুরোপুরি উঠে এসেছে। দাম এমন ভালো থাকলে আগামীতে আরও জমিতে কপি চাষ করব।

চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়া বাগানপাড়ার কৃষক মোহাম্মদ হাসানুর রহমান বলেন, সাত বিঘা জমিতে কপি করেছি। প্রতি বিঘা দিয়েছি এক লাখ ১০ হাজারে। খরচ বাদে প্রতিবিঘায় ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ এসেছে। গতবছর যেখানে ৬০-৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলাম, এ বছর এক লাফে দাম বেড়েছে অর্ধ লাখ টাকা।

একই গ্রামের তরুণ চাষি মোহাম্মদ আরাফাত, যিনি ছাত্রত্বের পাশাপাশি বাবার খামার দেখাশোনা করেন, তিনি বলেন, তিন বিঘা জমিতে কপি চাষ করেছি। দেড় বিঘা জমির আগাম কপি বিক্রি করেছি এক লাখ ২৫ হাজার টাকা বিঘা দরে। এখন সাধারণ কপির দাম ৮০-৯০ হাজার টাকা চলছে। খরচ বাদেও ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হবে।

গাড়াবাড়িয়ারই আরেক কপি চাষি মোহাম্মদ শাহজান আলী বলেন, এবার আবহাওয়া খুবই অনুকূলে ছিল, তাই ফলন দারুণ হয়েছে। আগাম কপি বিক্রি করেছি ১ লাখ ২০ হাজারে। খরচ ৩০-৩৫ হাজার, লাভ পেয়েছি ৬০-৭০ হাজার টাকা। গত বছরের লোকসান এবারে পুরো ঘুচে গেছে।

ঢাকা থেকে আসা চুয়াডাঙ্গা সদরের বেলগাছি গ্রামে মনিরুজ্জামান নামে এক ব্যাপারী বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর ফুলকপির চাহিদা মোটামুটি ভালো। বাজারে সরবরাহ বেশি। আমরা পাইকাররা আগের বছরের চেয়ে আরও ভালোভাবে বিক্রি করতে পারছি। মাঠে ফলন ভালো হওয়ায় বাজারেও সরবরাহ স্থিতিশীল। চাহিদা গত বছরের তুলনায় বাড়তি, আমরা ব্যবসায়ীরাও সন্তুষ্ট, আর কৃষকরাও তাদের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, চুয়াডাঙ্গা সবজি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান জেলা। এবার শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৬৪০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ২২৮ হেক্টর, এর মধ্যে ফুলকপি ১ হাজার ৪৯৪ হেক্টর। ফলন যেমন ভালো, দামও তেমনি। কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। আমরা নিয়মিত তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং বাজারজাতকরণ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, সঠিক সময়ে বাজার ধরতে পারলে কৃষকের লাভ আরও বাড়বে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের পাশে আছে এবং থাকবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.