ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদার দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। ১৯৮৩ সালে ছাত্রদল রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন বিপ্লবী ও প্রতিবাদী মনোভাবের মানুষ।
১৯৮৬ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে ‘ছিআশির বেইমান চশমা পরা বুবুজান, দেশ ছেড়ে ভারত যান’— এই শ্লোগান তার মনে গভীর দাগ কাটে। সেই সময়কার ঘটনাপ্রবাহ তাকে আওয়ামী রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপিতে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত করে।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি স্বৈরাচার ও ক্ষমতাসীন সরকারের সময়ে বারবার হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তার আদর্শচ্যুতি হয়নি। এই সময়ে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, তিনি তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকার রাস্তা-ঘাট সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন।
১৯৯৬ সালে তিনি হাসাননগর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। দীর্ঘ সময় মাঠে-সংগঠনে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার ফলস্বরূপ ২০১৬ সালে তাকে হাসাননগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সততা, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বর্তমানে তিনি তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দলীয় নেতা আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে যদি বিএনপি বিজয়ী হয়, তাহলে শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে দলের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে যাব।
দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শের প্রতি অটল অবস্থান । এ সবই মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদারকে স্থানীয় রাজনীতিতে এক নিবেদিত প্রাণ নেতার পরিচিতি দিয়েছে।
এইসময়ে উপস্থিত মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদারের সহদর হাসাননগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ বাবুল হাওলাদার বলেন, তিনিও আওয়ামী লীগের সময় অনেক হামলা মামলার শিকার হন। সেই সময়ে ওয়ান ইলেভেনে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আফজাল মেম্বার চাউল চুরির মামলা দেন তার নামে। তিনি বলেন উক্ত মামলার প্রধান আসামি হন আমার সহধর্মিনী ও দ্বিতীয় আসামি হই আমি নিজেই। সে মামলা দুদুকে নিকট পর্যন্ত চলে যায়। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমাকে ১৭ দিন ঘরবন্দী করে রেখেছিল যুবলীগ নেতা আফজাল। তখন আমার বড় ভাই নুরুল ইসলাম হাওলাদারকে না পেয়ে সকল নির্যাতন চালায় আমার উপর যুবলীগ নেতা ও আওমী কর্মীরা । শুধু তাই নয় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নেয় আওয়ামী সন্তাসীরা। আমার বাবা কুলখানি অনুষ্ঠানে আমার খালাতো ভাই নুরুদ্দিন চৌধুরীকে চাইনিজ চাপাতি দিয়ে মারাক্ত জখম করে। সে হামলায় তার শরীরে ৩৬ টি সেলাই দেওয়া হয়।