1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

কোম্পানীগঞ্জে কালভার্ট নির্মাণ হলেও ভোগান্তি চরমে

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১ দেখেছেন

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বাঘারপাড় (হাতিমখাল) এলাকার মরহুম মজমিল আলীর বাড়ির সন্নিকটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে নির্মিত কালভার্টটি এখন এলাকাবাসীর জন্য দুর্ভোগের নতুন নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালভার্টের কাজ শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে দুই পাশে মাটি ভরাট না করায় স্থানীয়দেরকে প্রতিদিন মই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

কালভার্টটি সম্পূর্ণ নির্মিত হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষজন বাজার থেকে বাঁশের তৈরি মই এনে যাতায়াত করছে। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য চলাচল এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন (৪০) বলেন, “কালভার্টের পাশে মাটি না থাকায় আমাদের মই বেয়ে উঠতে হয়। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করতে ভয় লাগে।” একই এলাকার ফয়জুল হক (৬০) জানান, “দুই দিন আগে রাতে এক মোটরসাইকেল আরোহী মই বেয়ে উঠতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন।”

জানা গেছে, পূর্ব বাঘারপাড় ও পশ্চিম ঢোলাখাল পাকা রাস্তা হতে মরহুম মজমিল আলীর বাড়ির অভিমুখে এই কালভার্টটি নির্মিত হয়। কাজটি সম্পন্ন করেন ঠিকাদার মোঃ কালা মিয়া ও জুয়েল আহমেদ। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো দুই পাশে মাটি ভরাট করা হয়নি।

৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবির আহমদ বলেন, “বিশেষ করে নারী ও শিশুদের যাতায়াত এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে।”

ঠিকাদার জুয়েল আহমেদ বলেন, “পানির কারণে এখন মাটি ফেলতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। তবে এক মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে, তখন যাতায়াতে কোনো সমস্যা থাকবে না।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম শাওন ভূঁইয়া বলেন, “ঠিকাদারকে ইতিমধ্যে মাটি ভরাটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.