1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

বগুড়ায় একযোগে সব উপজেলায় ধানক্ষেতে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১ দেখেছেন

পরিবেশবান্ধব উপায়ে ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন ও রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে বগুড়া জেলায় একযোগে ১২টি উপজেলায় ধানক্ষেতে আলোক ফাঁদ প্রদর্শনী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বগুড়া সদর উপজেলার কৈচর পশ্চিম পাড়া এলাকায় কৃষক মানিক, ছালাম, আনোয়ার ও সাইদের ধানের জমিতে আলোক ফাঁদ প্রদর্শন করা হয়।

আলোক ফাঁদ একটি পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর পদ্ধতি, যা রাতের বেলায় আলোতে আকৃষ্ট হয়ে আসা ক্ষতিকর পোকামাকড়কে ফাঁদের মধ্যে আটকে ফেলে। এর ফলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়, উপকারী পোকামাকড় রক্ষা পায় এবং ফসলের উৎপাদন ব্যয় কমে যায়। একইসঙ্গে মাটি ও পানির স্বাস্থ্য বজায় থাকে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বগুড়ার উপ-পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ শামসুদ্দীন ফিরোজ। তিনি বলেন, “সপ্তাহের প্রতি সোমবার মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ ধানক্ষেতে আলোক ফাঁদ প্রদর্শন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন, ফলে ফসলের ক্ষতি কমবে এবং উৎপাদন বাড়বে।”

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসমত জাহান, এসএ পিপিও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এসএএও মোঃ সাহাবুল ইসলাম (কৈচর ব্লক) এবং স্থানীয় কৃষক মানিক, সালাম, আনোয়ার, মাছুম,সাইদ, সাজ্জাদসহ আনুমানিক প্রায় ৩০-৩৫ জন কৃষক, উদ্যোক্তা ও কীটনাশক-সার বিক্রেতা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে কৃষকেরা ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি সহজে নির্ণয় করতে পারেন। আলোক ফাঁদে ধরা পড়া পোকা পর্যবেক্ষণ করে কোন পোকা দমন প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা যায়। ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে কীটনাশক প্রয়োগ করে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়। এতে জৈব কীটনাশকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়, যা পরিবেশ, কৃষক ও কৃষি—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.