নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী কর্তৃক কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে নির্বাচনী এলাকায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি রায়পুরা উপজেলা বিএনপির আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জামাল আহমেদ চৌধুরী আশরাফ উদ্দিন বকুলের মনোনয়ন “ছিনতাই” করার চেষ্টা করছেন এবং তাকে রায়পুরা প্রবেশে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
এ ঘটনার পর তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে বলেছেন, “জামাল আহমেদ চৌধুরীর আচরণ একজন সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার মতো নয়।”
রায়পুরা উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা জানান, এই হুমকি শুধুমাত্র আশরাফ উদ্দিন বকুলের প্রতি নয়, বরং যারা কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে মনোনয়ন দেবেন তাদের প্রতিও একটি ভয় প্রদর্শনের ইঙ্গিত বহন করে। এতে করে রায়পুরা বিএনপিতে বিভাজন ও গ্রুপিং আরও তীব্র হচ্ছে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন,
“আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। তবে এ ঘটনার সকল তথ্য ও বক্তব্য কেন্দ্রের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে — লিখিত এবং মৌখিকভাবে বিচার চাওয়া হয়েছে।”
এদিকে, নরসিংদী ও রায়পুরা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তুলেছেন — জামাল আহমেদ চৌধুরীকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অবিলম্বে বহিষ্কার করা হোক।
রায়পুরার রাজনীতিতে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ও বিভাজন দেখা দিয়েছে, যা বিএনপির আসন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।