নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়টি জলবদ্ধতা সহ ডাসবিনে পরিনত,টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টির কারনে স্কুল চত্বরে পুকুর রুপে ডাসবিন হয়েছে দেখা যায়টরপ্রত্যক্ষ ভাবে দেখা গেছে স্কুল চত্বরে নেই কোন গাছ,নেই পানি নিষ্কাসনের ব্যাবস্হা। এবং ময়লা আবর্জনায় ডাসবিনের ন্যায় পরিনত। উপজেলার বিভিন্ন যায়গায় জলাবদ্ধতার জটিলতা নিরসনে হিমসিম খাচ্ছে স্হানীয় এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বার সহ স্বচেতন মহলগন। সড়কের পাশে নোয়ানজুলী ভরাট করে নিজ নিজ জমির মালিক সরকারি যায়গা দখলে নিলে বর্ষামৌসুমের বৃষ্টি নিষ্কাসন হচ্ছে না বলে স্হানীয় এলাকাবাসী জানান। টিওবয়েল থেকে শিক্ষার্থাীরা ১৫ দিন যাবত পানি খাচ্ছে। পানি নিষ্কাসনে নেই প্রধান শিক্ষকের ভুমিকা।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর তিনটায় সরেজমিনে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নওশাদ আলীকে না পেয়ে, কাম কম্পিউটার অফিস সহকারী অসিত নিরবে নিভৃতে বসে রয়েছে, প্রধান শিক্ষক এসেছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন না আসে নাই। কতদিন ধরে পানি বুন্ধি তিনি বলেন কয়েক দিন যাবত। জলাবদ্ধতা কেন তিনি বলেন মাঠ নিচু এবং পানি নিষ্কাসনের কোন পথ নেই। সরকারি ভাবে মাঠ ভরাটের কোন বরাদ্দ পেয়েছিলেন কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, পেতে পারে তবে হেডস্যার সঠিক বলতে পারবেন। জলাবদ্ধতা বিষয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস হোসেন জানান ১৫ দিন যাবত এভাবেই পানি পুকুরে পরিনত রয়েছে ভাই । পানি নিষ্কাসন জটিলতা কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন মাঠ নিচু এবং পানি নিষ্কাসনের কোন পথ নেই। মাঠ নিচু সরকারি ভাবে মাঠ ভরাটের কোন বরাদ্দ পেয়েছিলেন কি-না, তিনি বলেন পেয়ে থাকতে পারে তবে বিষয় টি সঠিক প্রধান শিক্ষক বলতে পারেন।প্রধান শিক্ষক আজকে এসেছেন কি জানতে চাইলে তিনি বলেন পিয়ন আমাকে বলে হেড স্যার ফোনে আমাকে বলেন আমি রাজশাহী যাবো। অন্যান্য শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের পানি নিষ্কাসন বিষয় টি হৃদয়হীন বিবেকের অনিহাই সরিয়ে গেল।
প্রধান শিক্ষক নওশাদ আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য সাংবাদিক এনাম পরিচয় দিলে তিনি মোবাইল ফোন টি কেটে দেন।
মিঠাপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন পিন্টুর কাছে , আপনার প্রতিবেশি বিদ্যালয়ের ভিতরে জলাবদ্ধতা তিনি বলেন, আমি কয়েকদিন যাবত শুনেছি সোসাল মিডিয়ায় ভিডিও দেখে বুঝলাম ঐ প্রতিষ্ঠান প্রধানের গুরুদায়িত্বের অবহেলা, কারন সকল শিক্ষক কমিটি নিয়ে আলোচনা করে নাহলে, স্হানীয় স্বচেতন এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি, কিছু নেতাদের নিয়ে আলোচনা করলে পানি নিষ্কাসনের সমাধান সম্ভব ছিল।
স্হানীয় এলাকাবাসী মাহমুদুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাঠ নিচুর কারনে পানি নিষ্কাসন হচ্ছেনা। তিনি আরও বলেন অনেক অনেক নেতা আসে আর যায়, অনেক সরকার আসে যায় কিন্তু বর্ষামৌসুমে মাঠে পানি থেকে যায়। বাজারের কতিপয় ব্যাবসায়ী সুএে জানা যায় প্রধান শিক্ষকের নেকদৃষ্টি ও সুবিবেচনা না থাকায় জলাবদ্ধতা।
গত ১৭/১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নে র আক্কেল পুর থেকে গোবর চাপা ভান্ডার পুর থেকে ঝারঘরিয়া এবং বদলগাছী থেকে পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহার রাস্তার দুপাশে কিছু্ কিছু যায়গা জলাবদ্ধতার কারণে পানি বুন্ধি এতে অনেক অনেক স্ববজি চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্হানীয় এলাকাবাসী সুএে জানা গেছে সরকারি ভাবে সড়কের দুই পাশের জমি নোয়ান জুলী খননের ব্যাপারে সরকার উদ্দ্যেগ নিলে গ্রামের পানি নিষ্কাসন জটিলতা সমাধান করা সহজ হবে। উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাহিদ আক্তার সহ আধাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, কোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন পানি নিষ্কাসনের একমাত্র পদ ছিল সড়কের দুই পাশের নোয়ানজুলি নিজ নিজ জমির পজিশন ভরাটের কারনে বর্ষামৌসুমে পানি নিষ্কাসন জটিলতায় স্হানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদ ব্যাপক জটিলতার শামিল হতে হয়।এমন কি কিছু কিছু যায়গা জলাবদ্ধতার কারণে মারামারি সৃষ্টি হয়। সচিব নাহিদ আক্তার আরও বলেন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পানি নিষ্কাসন বিষয়টি যদি হাট সংগ্ন হতো তাহলে হাাটের টাকা দিয়ে ড্রেন করা যেত। হাকিম পুরের হাসান কাজী,সাগর পুরের চঞ্চল সরকার, সন্জয় সরকার, মহিলা মেম্বার রোকসানা বেগম, সাংবাদিকদের জানান সড়কের দুই পাশে নোয়ানজুলী ভরাটে কারনে বর্ষামৌসুমে গ্রামের পানি নিষ্কাসনের জটিলতা নিরসনে ব্যাপক হিমসিম খেতে হয়।সরকারি ভাবে বিষয় গুলো দেখার জন্য দাবি করেন তারা।
অধিকাংশ নারী পুরুষ গরীব অসহায় পানি নিষ্কাসন জটিলতায় বেশি জিম্মি সমাজের বিত্তবানদের কাছে। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা সাবেক আধাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী বলেন বর্ষামৌসুমে পানি নিষ্কাসন জটিলতা ব্যাপকসংঘর্ষে পরিনত হয়,যেটি পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের এক্তিয়ারের বাইরে চলে যায়। উক্ত বিষয়ে স্হানীয় সরকার সচিবালয় এবং ভুমি মন্ত্রালয়ের ভুমিকা নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
জামাত নেতা আলম হোসেন জানান বর্ষামৌসুমে পানি নিষ্কাসন জটিলতা সমাজে উঠে আসে জানি, বাংলাদেশ জামাত ইসলামের সুযোগ হলে সরকারি ভাবে পানি নিষ্কাসন জটিলতা সমাজেই সমাধানের পরিকল্পনা আছে।
বদলগাছী মডেল প্রেসক্লাবের মিটিংএ সাংবাদিকেরা স্হানীয় এলাকাবাসীর পানি নিষ্কাসন বিভিন্ন জটিলতা তুলে ধরে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, এতে সিনিয়র সাংবাদিক ফেরদৌস হোসেন, সাংবাদিক এনাম, সাংবাদিক মুজাহিদ হোসেন,সাংবাদিক আশরাফুল আলম নয়ন,সাংবাদিক রতন যোয়ার্দার,সহ অধিকাংশ সাংবাদিকেরা আলোচনা ও পর্যাআলোচনায় নেন, সমাজের বিত্তবানদের কাছে অসহায় দূর্বল গ্রামের মানুষ গুলো বর্তমান বর্ষামৌসুম এলেই পানি নিষ্কাসন জটিলতায় পড়ে।এর একমাএ কারন সড়কের দুই পাশের জমি ভরাটে পানি নিষ্কাসন হয় না।একারনে সমাজে বর্ষামৌসুমে মারা মারি সহ আইনশৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার গন ব্যাপক জটিল ও কঠিন প্রশ্নে জটিলতা সমাধানে সাহসি ভুমিকায় সমস্যা ফিল করতে হয়। সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এ