1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

৩৫ কাঠুরিয়ার গণহত্যার স্মৃতিচারণে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

১৪ সেপ্টেম্বর, সকাল ১১:০০ টায় রাঙ্গামাটির রাজবাড়ীর একটি রেস্টুরেন্টে  ৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে এক স্মৃতিচারণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিতরা ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়াখালীতে সংঘটিত ৩৫ বাঙালি কাঠুরিয়ার গণহত্যার নৃশংসতা স্মরণ করেন এবং বুকে থাকা ব্যথা, বিচারহীনতা ও রাষ্ট্রের উদাসীনতার বিরুদ্ধে কড়া নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেনের লেখা পাঠ করা হয়। বক্তারা বিবৃতিতে বলেন, ১৯৯৬ সালের ওই দিন লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার মধ্যবর্তী পাকুয়াখালীতে শান্তিবাহিনীর বাহিনী কাঠুরিয়া সম্প্রদায়ের ৩৫ জনকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় এক কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছিল। বক্তারা আরো বলেন, ওই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছিল এবং বহু পরিবার আজও বিচারহীনতার শিকার।
বক্তারা রাষ্ট্রকে দিকদর্শকভাবে সমালোচনা করে বলেন, ঘটনার প্রায় তিন দশক কেটে গেলেও রাষ্ট্র নির্দোষ পরিবারের প্রতি কোনো ন্যায্য পূরণপত্র দেখাতে পারেনি। তারা জানান ঘটনার পর চারজন মন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে পূর্ণবাসনের ও দ্রুত বিচার শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি, বরং যারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল তাদের সরকারি মর্যাদা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা নিহতদের আত্মার প্রতি অপরাধসাধন বলেই তারা উল্লেখ করেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বর্তমান সরকারের প্রতি আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়াখালীতে ঘটানো ৩৫ কাঠুরিয়া গণহত্যার দ্রুত এবং পূর্ণাঙ্গ বিচার সম্পন্ন করা।
নিহত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারি স্বীকৃতি এবং শহীদ মর্যাদা প্রদান।
প্রতিটি ভিকটিম পরিবারকে পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা।প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজনকে সরকারি চাকরির নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। অভিভাবকহীন পরিবারগুলোকে আজীবন মাসিক রেশন ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা।
নিহতদের ছেলে-মেয়েদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া। যারা হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত ও নির্দেশ দিয়েছেন তাদের সরকারি সকল সুবিধা থেকে অব্যাহতি দিয়ে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা।
ভিকটিম পরিবারগুলোকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার আওতায় আনা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতরা সবাই দাবি করেন যে, বিচারহীনতা কেবল শোক সন্তপ্ত পরিবারগুলোর ক্ষতই দীর্ঘায়িত করছে না, এটি দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বক্তারা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়, পাকুয়াখালী ট্রাজেডি পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটে যাওয়া বহু নৃশংস ঘটনার মধ্যে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। স্মৃতিচারণের মাধ্যমে নির্মমতার ইতিহাসকে ভোলা যাবে না; কিন্তু নিহতদের পরিবারগুলোকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং বিচার না দিলে সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে না এটাই সংগঠনের মূল আবেদন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.