স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও হিজলার অসহায় বানভাসী মানুষের ভাগ্যে কখনোই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে কোন মনোনয়ন প্রত্যাশী কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে যোগ্য ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি, তাই সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে এ জেলার সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ লাঘবের চেষ্টায় তথা পুরো বরিশাল জেলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আবির্ভাব হয় ব্যারিস্টার মাছুম এর,
তাই সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নপূরনে ব্যারিস্টার মাসুম এর বিকল্প হিসেবে কাউকে আপাতত ভাবছে না এই উপজেলার সাধারণ মানুষ।
এ যেন এক স্বয়ং বিধাতার পক্ষ থেকে হিজলা উপজেলার মেহনতি মানুষের অভিভাবক হিসেবে পাঠিয়েছেন ,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিজলার একাধিক প্রবীন বিএনপি নেতারা তাদের বিশ্বাস থেকে ব্যাক্ত করেন,
ব্যারিস্টার মাসুম বিএনপি’র পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রাপ্ত হন তবে হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ কাজিরহাট এর সাধারণ মানুষ তাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে এই আসনটি পূর্বের ন্যায় জিয়া পরিবারকে উপহার দিবেন ,
ব্যারিস্টার মাসুম সরাসরি বিএনপির পথ পদবী নিয়ে রাজনীতি না করলেও বিএনপি’র ত্যাগী নির্যাতিত নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন সব সময় আলাদাভাবে, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে যারা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন তাদের নিঃস্বার্থ ভাবে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা, করোনা কালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে এবং প্রতি বছর শীতকালীন ঋতুতে শীতবস্ত্র বিতরণ, কৃষকের মাঝে গরু বিতরণ, রমজান মাসে উপজেলার প্রতিটি মসজিদ মাদ্রাসায় খেজুর বিতরণ সহ অন্যান্য জন সেবামূলক কাজ করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। স্থানীয় গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন এর ৬০ বছরের উর্দ্ধে এক বৃদ্ধ বয়সি ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যদি একবার সুযোগ পেতাম কোন না কোন ভাবে, একটি ভোট দিয়ে ব্যারিস্টার মাছুম এর ঋণ কিছুটা শোধ করার, তাইলে জীবন দিয়ে করে যেতাম। অনেকেই জানান
সার্বিক বিবেচনায় বরিশাল ৪ আসনে ব্যারিস্টার মাসুম এর বিকল্প আপাতত দেখছে না হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ কাজির হাট এর সাধারণ মানুষ।