1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রাজস্থলী ৪টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষকরা মাথা উঁচু করে দাড়াতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা এগোতে পারব না : বিসিবি পরিচালক ‎বকশীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ৯৭১ পিস ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ আত্রাই ও রানীনগরে অত্র এলাকার সংসদ সদস্যের নিজস্ব অর্থ য়ানে দুটি পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হালুয়াঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মিরপুরে পরিবহন মালিকদের সাপ্তাহিক সভা ,নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষার আহ্বানে উজিরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস টেকনাফে মাদরাসা ও ওয়াকফ এস্টেটের সাইনবোর্ড উপড়ে জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ পরিকল্পিত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভৈরবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি

বিএমডিএতে বেতনভাতায় বৈষম্যের অভিযোগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

১৯৮৫ সালে বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (বিআইএডিপি) থেকে জনবল নিয়ে প্রকল্পটি চালু করা হয়। ১৯৯২ সালে প্রকল্পের নতুন নামকরণ করা হয় বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প। পরবর্তীতে আবার নাম বদল করে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) করা হয়। ২০১৮ সালে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ পাশ হয় সংসদে। গভীর নলকূপ স্থাপন, নিবিড় বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ, সেচ নালা নির্মাণ, খাল খনন ও গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৩৫টি উপজেলা এলাকায় বিস্তৃত বিএমডিএর কার্যক্রম। এই সংস্থার নানা কর্মসূচিতে দেশের উত্তরাঞ্চল খাদ্যশস্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

এদিকে ৩৩ বছরেও জনবল কাঠামো না থাকায় বৃহৎ এই সরকারি প্রতিষ্ঠানের পদায়ন ও পদোন্নতিসহ বেতনভাতা নির্ধারণে চরম বৈষম্য চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএমডিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ভুক্তভোগী অনেকের অভিযোগ, নিচের পদে থেকে অনেকেই উচ্চ গ্রেডে বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন। আবার উচ্চ পদে থেকেও অনেকেই নিচের গ্রেডে বেতনভাতা পাচ্ছেন। আবার অনেকেই চলতি দায়িত্বে উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেও বঞ্চিত হচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত ও নির্ধারিত পদের বেতন গ্রেড থেকে। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বিএমডিএতে প্রায় দুই যুগ ধরে চলছে এমন নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা। তারা বর্তমান সরকারের কাছে বিএমডিএর জন্য একটা সুষম জনবল কাঠামো অনুমোদনের দাবি করেছেন। রাজনৈতিক প্রভাবে অতীতে অনেকেই চলতি দায়িত্বে থেকে উচ্চ পদে চলে গেছেন। কিন্তু পদোন্নতি নীতিমালা না থাকায় অনেক যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উচ্চ পদে যেতে পারেননি।

জানা গেছে, জনবল কাঠামো না থাকায় বিএমডিএর ১২৫ কর্মকর্তার মধ্যে চলতি দায়িত্বে কাজ করছেন ৯৫ জন। একধাপ নিচের পদে কর্মরত অনেক কর্মকর্তাকে এক ধাপ ওপরের পদে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য। বিএমডিএতে চলতি দায়িত্ব ব্যবস্থা চলছে দুই যুগের বেশি ধরে। তাদের অনেককে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) পদে পদায়ন করা হয়েছে। কিন্তু তারা নিয়মমাফিক পদোন্নতি পাচ্ছেন না। জনবল কাঠামো ও পদোন্নতি নীতিমালা না থাকায় তাদের অনেকেই প্রকল্প পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেও কোনো বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। তারা বেতনভাতা পাচ্ছেন নিচের গ্রেডে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুস্পষ্ট নীতিমালা ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকায় চলতি দায়িত্বের এসব কর্মকর্তাকে জাতীয় বেতন স্কেলের উচ্চতর গ্রেডে বেতনভাতা প্রদান করা হচ্ছে না। ষষ্ঠ গ্রেডের সহকারী প্রকৌশলীকে নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে পদায়নের পরও নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য নির্ধারিত পঞ্চম গ্রেড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। চলতি দায়িত্বের এসব পদের কর্মকর্তারা অতীতে নানাভাবে উচ্চতর বেতন গ্রেড নেওয়ার চেষ্টা করলেও অডিট আপত্তি ছাড়াও জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা তারা নিতে পারেননি। জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে চলতি দায়িত্বের কিছু কর্মকর্তাকে উচ্চতর বেতন গ্রেড দেওয়া হলেও সেগুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রেই অডিট আপত্তি হয়েছে। যা এখনো অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়ে গেছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব এনামুল কাদির বলেন, চলতি দায়িত্বে অনেকেই আছেন যারা উচ্চতর গ্রেডে বেতনভাতাসহ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন শুধুমাত্র তাদের চাকরির অভিজ্ঞতা ও কর্মমূল্যায়নের কারণে-চলতি দায়িত্বের কারণে নয়। বিএমডিএতে এমন অনেক কর্মকর্তা আছেন যারা নিুপদে কর্মরত কিন্তু তারা উচ্চতর গ্রেডে বেতনভাতা পেয়ে থাকেন। তিনি দাবি করেন, চলতি দায়িত্বের কর্মরতরা মূল পদের বেতনভাতা পেয়ে থাকেন। তবে বিভিন্ন সময় সরকারি আদেশের আলোকে, আদালতের নির্দেশে ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের মাধ্যমে কেউ কেউ উচ্চতর গ্রেড পেয়ে আসছেন। এটা যেমন সবার জন্য ঘটেনি তেমনি অনিয়মও নয়। অনেকের ক্ষেত্রে অডিট থেকেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে চলতি দায়িত্বের অধিকাংশ কর্মকর্তা মূল পদের বেতন গ্রেডেই বেতনভাতা পেয়ে থাকেন। জনবল কাঠামো না থাকায় এমন পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত সচিব এনামুল কাদির নিজেও নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে কর্মরত আছেন। বিএমডিএতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কোনো পদ নেই। কিন্তু এই পদে চলতি দায়িত্বে কর্মরত আছেন মো. শামসুল হোদা ও ড. মো. আবুল কাসেম। তারা দুজনই তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। আনুষ্ঠানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কোনো পদ না থাকলেও চলতি দায়িত্বে কর্মরত আছেন ১১ জন প্রকৌশলী। এই ১১ জনের মধ্যে ৭ জন বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি এই সংস্থায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন ৩৬ জন প্রকৌশল কর্মকর্তা। একইভাবে ৪৩ জন প্রকৌশল কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্বে কাজ করছেন। এছাড়া হিসাব নিয়ন্ত্রণসহ এই বিভাগের দুই কর্মকর্তা চলতি দায়িত্বে রয়েছেন। বাকি ২৭ জন কর্মকর্তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পদায়িত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

এত বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলতি দায়িত্বে পদায়িত থাকা প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত সচিব এনামুল কাদির বলেন, বিএমডিএতে কোনো জনবল কাঠামো না থাকায় অতীতে চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পদে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা পদগুলো বিন্যাস করে চলতি দায়িত্ব প্রদান করে গেছেন। নতুন করে এসব হয়েছে, এমনটা নয়। জনবল কাঠামো অনুমোদনের বহু চেষ্টা হয়েছে অতীতে, কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন মেলেনি। অনুমোদিত জনবল কাঠামো থাকলে এত বিপুল সংখ্যায় পদগুলো কাউকে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন হতো না। নতুন নির্বাহী পরিচালক এসেছেন। এবার হয়তো জনবল কাঠামো বা অগ্রানোগ্রাম পাবে বিএমডিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বিএমডিএ প্রতিষ্ঠার পর ২০০৩ ও ২০০৮ সালে সর্বশেষ জনবল নিয়োগ হয়েছে। অতীতে ১ হাজার ২৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন ৭০৩ জন। বাকি জনবলের চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে অস্থায়ী ও আউট সোর্সিং থেকে। প্রস্তাবিত ১ হাজার ৯১১ জনবলের বিপরীতে মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে মাত্র ৬৫০ জনকে।

অন্যদিকে বিএমডিএতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কর্মচারীদের অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, জনবল কাঠামো ও পদোন্নতি নীতিমালা না থাকায় কর্মচারীরা পদোন্নতি বঞ্চিত থাকছেন বছরের পর বছর ধরে। আবার একই কারণে চলতি দায়িত্বে নিয়োজিতরাও তাদের প্রাপ্য বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। চলতি দায়িত্বে কর্মরতদের একজন হিসাব নিয়ন্ত্রক রোকনুজ্জামান বিশ্বাস। তিনি বলেন, আমি জাতীয় বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডের পদে ১০ বছর ধরে চলতি দায়িত্বে কর্মরত আছি। কিন্তু আমি ষষ্ঠ গ্রেডের বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পাই না। আমি বেতনভাতা পেয়ে থাকি তিন-চার ধাপ নিচের গ্রেডে

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.