ভিকটিম মোঃ হৃদয় (১৮), পিতা-আবুল কালাম, মাতা-খোদেজা বেগম, গ্রামঃ শুকতার বাইদ, থানাঃ ঘাটাইল, জেলাঃ টাঙ্গাইল এ/পি সাং- পারিজাত, থানা- কোনাবাড়ি, গাজীপুর মহানগর। ভিকটিম ইলেকট্রিক মেকানিক্যাল এর কাজ করে। মাঝে মধ্যে গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টস লিঃ এর বয়লার এর ইলেকট্রিকের কাজ করে।
ভিকটিমের মা মোছাঃ খোদেজা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গত ২৭/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টস লিঃ ফ্যাক্টরির মালিকপক্ষ হইতে বয়লারে মেকানিক্যাল কাজের জন্য রাত ২২:০০ ঘটিকায় আসতে বলে। পরবর্তীতে অদ্য ২৮/০৬/২৫ খ্রি: তারিখ আনুমানিক ০৩:০০ হইতে ০৬:০০ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় উপরোক্ত ফ্যাক্টরির ভিতরে ভিকটিম হৃদয়কে অজ্ঞাত কারনে ছবিতে চিহ্নিত লোকজন মারপিট করিয়া হত্যা করে। ফ্যাক্টরি হইতে রটানো হয় যে, চুরি করার সময়ে ফ্যাক্টরির দেয়াল পিচ্ছিলের কারনে পরে গিয়ে আহত হয়।
পরবর্তীতে ২৮/০৬/২০২৫ সকাল আনুমানিক ১০:২০ ঘটিকার সময় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ একটি এম্বুলেন্স নিয়ে এসে সিকিউরিটি দ্বারা ভিকটিমের মৃতদেহ কাপড় দ্বারা মুড়িয়ে শহীদ তাজউদ্দিনের উদ্দেশ্য রওনা করে। ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরা উক্ত বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে সিকিউরিটির লোকজন জানায় একটি চোর ধরা পড়ে আহত হয় ও তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৮/৬/২০২৫ তারিখ দুপুর ১৪:৩০ ঘটিকায় শ্রমিকরা উৎপাদন কাজ বন্ধ করে উত্তেজিত অবস্থায় ফ্যাক্টরির এ্যাসেম্বলি পয়েন্টে অবস্থান করে। পরবর্তীতে দুপুর ১৪ঃ৫০ ঘটিকায় শ্রমিকরা ফ্যাক্টরি হইতে বাহির হয়ে বিসিক শিল্পনগরীর অভ্যন্তরে আশেপাশের ফ্যাক্টরি সমূহের শ্রমিকদের উৎপাদন কাজে বাঁধা প্রদান করে। পরবর্তীতে ফ্যাক্টরির মালিকপক্ষ ছুটি ঘোষনা না দিলে শ্রমিকরা উত্তেজিত ১০০-১৫০ জন শ্রমিক কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে তুসুকা জিন্স এর সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এর উভয় লেন অবরোধ করে। ঐ সময়ে উক্ত ফ্যাক্টরি শ্রমিক সহ অন্যান্য ফ্যাক্টরি শ্রমিক, স্থানীয় লোকজনসহ ২০০০ জনের মতো মহাসড়কের আশপাশে উপস্থিতি দেখা যায়। পরবর্তীতে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২, শ্রমিকদের রাস্তা হতে সরে আসতে অনুরোধ করে।