নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৫ই আগস্ট মালয়েশিয়া টুংকু আব্দুল মান্নান ইউনিভার্সিটির ছাত্র শহীদ শ্রাবণ গাজী সাভার নিউ মার্কেটের সামনে নিহত হন।নিহত শ্রাবণ গাজীর মরদেহ উত্তোলনে বাঁধা দিয়েছে তাঁর পরিবার। আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মরদেহ উত্তোলন করতে গেলে পরিবারের বাঁধায় তা সম্ভব হয়নি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিহত শ্রাবণ গাজীর মরদেহ উত্তোলন করতে সাভার ডেইরী ফার্মের কবরস্থানে আসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আক্তার। সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নিহতের স্বজনরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শহীদ শ্রাবণ গাজীর মরদেহ উত্তোলনের জন্য আসলে পরিবারের সদস্যরা ও মামলার বাদী মরদেহ উত্তোলনে আপত্তি জানান। পরে শহীদ শ্রাবণ গাজীর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক জসিম উদ্দিন নিহতের স্বজনদের মামলার সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলনের বিষয়ে অবহিত করেন।কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন।পরে বাধ্য হয়ে আদালতের নির্দেশ স্থগিত করে শহীদ শ্রাবণ গাজীর মরদেহ উত্তোলন না করে চলে আসেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ আমরা এসেছিলাম। কিন্তু পরিবারের বাঁধার কারনে মরদেহ উত্তোলন না করেই চলে যেতে হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আক্তার বললেন, শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মায়ের সাথে কথা বলেছি তাঁরা মরদেহ উত্তোলনে অনিচ্ছুক। উনারা আমার কাছে একটি ফরমাল আবেদন দিয়েছেন। এ বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করবো এবং পরবর্তীতে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।