নান্নু মিয়া: ছি এম বি বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে চলছে চাঁদাবাজি। প্রত্যেক অটো, ইজিবাইক, সিএনজি থেকে মাসিক হারে ৫০০ টাকা করে আদায় করছে পান্নু। চাঁদার বিষয়ে প্রশ্ন করলে পান্নু জবাবে বলেন, আমি লাইনম্যান হিসেবে কাজ করি। আমার বেতন প্রতি মাসে দেয় ১২ হাজার টাকা করে। আমাদের এ বিষয় সাভার হাইওয়ে ওসি স্যার অনুমতি দিয়েছেন। আমরা অটো, ইজিবাইক সিরিয়াল করে রাখি যেন জানজট সৃষ্টি না হয়।
আরেকজন অটোবাইক চালককে প্রশ্ন করলে জবাবে বলে, যে টাকা উঠে সেই টাকা খাতায় লিখিত আছে। অটো ও সিএনজি সহ মোট ৫২ টি গাড়ি রয়েছে। ৫০০ ইনটু ৫২ = ২৬০০০ হাজার টাকা চাদা আদায় করা হয়।
অথচ, লাইনম্যান কে ১২ হাজার টাকা বেতন হিসেবে দিয়ে বাকি ১৪ হাজার টাকা উধাও। এরই মাঝে আরো কিছু তথ্য উঠে আসে নামধারী কিছু সাংবাদিকদের কেও ম্যানেজ করতে হয়। প্রশ্ন থাকলো বাকি টাকা গুলো কারা ভাগ বাটোয়ারা করা নিচ্ছে এরা কারা । এদের খুটির জোর কোথায়, দেশের এই সময় কিভাবে কার্ড বিহীন কমিউনিটি পুলিশ পরিচয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে সারা বাংলাদেশে কোন জায়গা থেকে চাঁদা উঠানো নিষেধ। কি ভাবে এই ছি এম বি বাস স্টান্ড থেকে লাইনম্যান এর নাম দিয়ে চাঁদা উঠিয়ে ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছে। এর নেপথ্য রয়েছে কারা। এই বিষয়ে কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না । প্রশাসন নিরব কেন প্রশ্ন জনগণের ( এটি একটি ধারাবাহিক প্রতিবেদন)।