1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

খোলস পাল্টিয়ে রুদ্র ও সুজাতগংদের বেপরোয়া  অপকর্ম দিন দিন বেড়েই চলছে।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫
  • ৯৫ দেখেছেন
বিশেষ প্রতিবেদক:  রাজধানীর ডেমরায় দিন দিন বেড়েই  চলেছে  ছিনতাই , দখলবাজি , চাঁদাবাজি,  খুন জখম ও   জীম্মি করে মুক্তিপান দাবি। এছাড়াও  মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় এবং অসহায় মানুষের উপরে নির্যাতন নিপীড়ন এর মত জঘন্যতম কাজে মেতে উঠেছেন  ইখলাক খান রুদ্র  পিতা  মৃত মহিউদ্দিন খোকন, সোহেল ওরফে কাইল্লা  সোহেল পিতা শ্যামল,  সুজাত পিতা অজ্ঞাত, ইমন পিতা শাহীন , আব্দুল্লাহ পিতা অজ্ঞাত, আকাশ পিতা বাবুল, সাজিত পিতা কালাম, হাফেজ পিতা নুরুল আমিন, সাফওয়ান হোসেন রিফাত পিতা মৃত শহিদুল ইসলাম ও বাদশা ঢালি পিতা মৃত দুলাল ঢালি এই সঙ্ঘবদ্ধ চক্রটি।
গত  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী  আওয়ামী সরকার পালিয়ে যাওয়ার পরে  অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, আর আওয়ামী দোসররা পালিয়ে যেতে না পেরে বিভিন্নভাবে কৌশল করে মোটা অংকের টাকার বিনিময় বিএনপি’র কিছু স্বার্থন্বেষী মানুষের হাত ধরে বিএনপির এই দলে ঢোকার চেষ্টা চালায় তাদের ছত্রছায়ায় থেকে কৌশল করে বিভিন্ন রকমের সহ সকল প্রকার  অপকর্ম চালিয়ে যায় আর এতে বিপাকে পড়তে হয়  বিএনপির নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের  । দেশ সংস্কারে যখন  প্রধান উপদেষ্টা ভূমিকা রেখে যাচ্ছিলেন, তখনই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে  বিএনপি’র নামধারী চাঁদাবাজ নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তাদূর বিরুদ্ধে।  সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ডেমরা সারুলিয়ার  জামান ও  সেলিমের  পালিত গুন্ডা ইখলাক খান  রুদ্র, কাইল্লা সোহেল ও সুজনগংসহ আরো অনেকের নাম। এলাকাবাসী  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীদের   জানান
 এরা কখনো বিএনপির সাথে, কখনো আওয়ামী লীগের সাথে,। এলাকার সচেতন মহল  বলেন, আসলে এরা কারা, এরা মূলত কোন দলের, এরা কি
 বিএনপির না আওয়ামী লীগের  পালিত   গুন্ডাবাহিনী? এমনটাই প্রশ্নর সাধারণ জনমনে।
 জানা যায়, ইখলাক খান রুদ্র ,সুজাত মিয়া ও আকাশসহ বেশ কিছু লোকজন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পথ ধারী নেতা ছিলেন তারা।  তবে সরকার পতনের পর তারা ঘোর পাল্টিয়ে বিএনপি’র সাথে আঁতাত করে এসকল অপকর্মের সাথে লিপ্ত রয়েছেন।
 আরো জানা যায়,
 তৎকালীন আওয়ামী লীগের  ডেমরা থানার সভাপতি  রফিকুল ইসলাম খান মাসুদ  ও প্রয়াত হাবিবুর রহমান মোল্লা এবং মশিউর রহমান মোল্লা সজলের  সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছেন। তবে সরকার পতনের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়  নামধারী বিএনপি নেতাদের সাথে যুক্ত হয়ে  ডেমরায়  যতসব অপকর্মের মহা উৎসবে মেতে উঠেছেন। ফলে সাধারণ মানুষ এদের যন্ত্রণায় এখন অতিষ্ঠ, ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না কেউ। এমনকি এদের হাত থেকে রেহাই পায়নি পুলিশ সদস্যরা।  গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে সারুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই আশরাফুজ্জামান এর সাথে।
 রাজধানীর  ডেমরায় বেধড়ক মারধরের শিকার আহত অপহৃত মাছের খামারি রেজাউল হক (৩৬) কে উদ্ধার করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকালে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয় পুলিশ। ডেমরার সারুলিয়া ওয়াসা রোড এলাকায় ঘটা চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রুদ্র বাহিনীর দুই সদস্যকে গ্রেফতারের পর ওই রাতেই ডেমরা থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং  ২৪, তারিখ  ২৭ /২/ ২০২৫ ইং ধারা ১৪৩/৩৩২/৩৩৩/ ৩০৭/৩৫৩/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০এ রজু করা হয়।  এদিকে গ্রেফতার বাদশা ঢালী ও ছাফওয়ান হোসেন রিফাতকে শুক্রবার বিকালে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
এদিকে অপহৃত রেজাউল হক বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি ও হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া সারুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আশরাফুজ্জামান বাদী হয়ে রুদ্র বাহিনীর ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টার দিকে ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ওয়াসা রোড বালুর মাঠের পাশে একটি ছোট টিনের ঘর থেকে অপহৃত রোজাউলকে উদ্ধার করতে যায় সারুলিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আসামি ইখলাক খান রুদ্র ও সুজাত’র নির্দেশে সোহেল ওরফে কাইল্লা সোহেল লোহার শিকল দিয়ে কনস্টেবল জুয়েল রানার মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে। এসময় অন্যান্য আসামীরা কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে পুলিশ সদস্যদের নিলা ফুলা জখম করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় কনস্টেবল জুয়েলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলে তার মাথায় ৮ টি সেলাই দেওয়া হয়।
এদিকে হামলার পরপরই ডেমরা থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান তাৎক্ষনিক সঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইখলাক খান রুদ্রের হেফাজতে থাকা লোহার হাতলযুক্ত দেশীয় চাকু, চাপাতি, দা, লোহার পাইপ ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় রুদ্র বাহিনীর প্রধান ইখলাক খান রুদ্র, সোহেল কাইলা সোহেল, সুজাত, ইমন, আব্দুল্লাহ, আকাশ, মোঃ সাজিত, হাফেজ, ছাফওয়ান হোসেন রিফাত ও বাদশা ঢালী, সহ আরও ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়িত ছিল এবং তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগী রেজাউল হক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তিনি তার কর্মচারীদের নিয়ে করিম জুট মিলসের পাশে তার মাছের খামারে গেলে অভিযুক্তরা তাকে ঘিরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা রেজাউল ও তার কর্মচারীদের মারধর করে। পরে দুপুর দেড় টার দিকে অভিযুক্তরা রেজাউলকে অপহরণ করে ডেমরার ওয়াসা রোডে একটি ছোট টিনের ঘরে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে মুক্তিপণ বাবদ তার কাছে থাকা পর্যায়ক্রমে নগদ ও বিকাশ থেকে ৫৩ হাজার টাকা ও দু’টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর সহকর্মী টিপু সুলতান জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে ডেমরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেজাউল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। রেজাউল হক অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্তদের মধ্যে রুদ্র, জাকির, রাকিব, রানা, সুজাত, কাইলা সোহেল, ইমন, ও রোহান সহ অজ্ঞাত ২০-২২ জন ব্যক্তি জড়িত ছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রুদ্রের নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী চক্র এলাকায় চাঁদা আদায়, জমি দখল, অপহরণ এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। এদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের ডেমরা থানা সভাপতির পদে থাকা রুদ্রকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ২০ ফেব্রুয়ারি তাকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং তার প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়। রাজনৈতিক পদ হারানোর পরেও সে তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে।
জানা গেছে রুদ্র একসময় সারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৬৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী
ছিল, তার বাবা মৃত খোকন খান ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতির ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন,সময়ের পরিক্রমায় রুদ্র এখন মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম নাম দলের সভাপতির পদ নিয়ে বিএনপি পরিচয়ে ৫ ই আগষ্টের পর বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকার্ন্ড শুরু করে।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, রুদ্র বাহিনীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, অপহরণ ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.