মোঃ আল মামুন,মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি: পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলাধীন মঠবাড়িয়া বাজার বণিক সমিতির (রেজি: নং খুলনা -৮৪৩) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি হিসাবে মোঃ ইদ্রিস আলী মহারাজ,সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মোঃ কামরুল আহসান রিপন ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (আবু মাস্টার)সহ ২৯টি পদে ২৯টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, টিপু সুলতান ও সগির মিয়া(প্রফেসর), সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সরোয়ার হোসেন সগির ও মোঃ নুরুন নবী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাদল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোতালেব মৃধা, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ রিয়াজুল হক,প্রচার সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন,বাণিজ্য সম্পাদক হাফিজুর রহমান,সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম,ক্রীড়া সম্পাদক তাহসিন জামান (রুমেল), কোষাধ্যক্ষ মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য কাওসার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, উত্তম কুমার কর্মকার, মোঃ বেল্লাল হোসেন, মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, ওলি গাজী, আবু ছালাম, গোলাম মোস্তফা,মোঃ আরিফুল ইসলাম,তাওহীদুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল ও সোলায়মান বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, শনিবার নির্বাচনের দিন নির্ধারিত ছিল। মোট ৫৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়, যার মধ্যে ৪৫টি মনোনয়ন যথাসময়ে দাখিল করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে সবগুলো মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
পরবর্তীতে ১৬ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে ২৯টি পদের বিপরীতে একজন করে বৈধ প্রার্থী থাকায়, নির্বাচন কমিশন ২৯ জানুয়ারি ২০২৫, বুধবার, আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য মঠবাড়িয়া বাজার বনিক সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে ছিলেন মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি আহবায়ক(ভারপ্রাপ্ত) শামিম মিয়া মৃধা,সদস্য হিসাবে ছিলেন সাফা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক শরীফ মোঃ আব্দুল জলিল ও আব্দুল ওহাব মহিলা আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আব্দুল হালিম।
নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন ও বাজারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কাজ করবেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বাণিজ্যিক পরিবেশ উন্নয়নের প্রত্যাশা করেছেন। এটি মঠবাড়িয়া বাজার বণিক সমিতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যেখানে নির্বাচিত নেতারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।