পারভেজ আকতার, হাটহাজারী প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা এবং চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্বা মঞ্চের যুগ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ সম্পাদক আরাফাত রহমান। যিনি আ.জ.ম নাসিরের ক্যাডার বাহিনির অন্যতম ক্যাডার হিসাবে পরিচিত। জুলাই মাসের ছাত্রলীগের তান্ডবে মুরাদপুর এলাকায় চালানো নরকীয় হত্যা কান্ডের সময় ছাত্রদের উপর সরাসরি সসস্ত্র হামলা চালায়। ছাত্র জনতার গন- অভুথ্যানে স্বৈরাচার হাসিনা পালিয়ে য়াওয়ার পর সারাদেশে গুম খুনের অপরাধে জড়িত আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়, তবে কোন এক অদৃশ্য শক্তির আড়ালে গিয়ে আরাফাত বেচে যায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক হওয়ায়র সুবাদে টেন্ডার বানিজ্য চালিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উটে। তাছাড়া তার মায়ের নামে টিসিবির লাইসেন্স ও বহালতবিয়তে আছে এবং ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফটিকছড়িতে তৎকালীন এমপি সনির সহযোগিতা নিয়ে গড়ে উটা বালির ব্যাবসা ও চালিয়ে যাচ্ছে। এই সকল ব্যাবসা হতে আয়কৃত অর্থের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার চেষ্টা করতেছেন এবং ঝঠিকা মিছিলের জন্য অর্থায়ন করতেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারই এলাকার এক ছাত্রলীগ কর্মি জানান ৪ জানুয়ারি তাদের প্রতিষ্টা বার্ষীকি এবং ফেব্রুয়ারীতে তাদের সন্ত্রাসী কর্মসুচি সফল করার জন্য ১০ লাখ টাকা আর্থিক সহয়তা দেন।এলাকাবাসী সব কিছু জানার পর ও ভয়ে মুখ খোলতে পারতেছেনা। তারা পুলিশ প্রাসশেন কাছে এই সন্ত্রাসীকে গ্রেফ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।