বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর ডেমরা থানাধীন ডেমরা বাজার সংলগ্নে ১৯৯৩ ইং সালে ঢাকা ৪ ও ৫ এর সাবেক এমপি আলাহাজ সালাউদ্দিন আহমেদ এমপির তদবির ও তৎপরতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ডেমরা কলেজ। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য ইন্টারভিউর মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয় শিক্ষক মন্ডলী। দলমত নির্বিশেষে ডেমরা তথা শ্রমিক এলাকার কথা চিন্তা করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি নজর থাকে সালাউদ্দিন আহমেদ এমপির। তাই তিনি দলীয় প্রতিহিংসায় না জড়িয়ে ইন্টারভিউর মাধ্যমে ডেমরা কলেজের শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব খাটাননি। ১৭ বছর আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অবকাঠামো উন্নয়ন ও আদর্শ শিক্ষা রাজনৈতিক গ্রাসে বিলীন হয়। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে রাজনৈতিক দলের বিভাজনে শিক্ষার মান উন্নয়ন ব্যাহত হয়। এতে করে সুযোগে সদব্যবহার করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। যার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান নিষ্ক্রিয় হতে থাকে। এমনই ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর ডেমরা কলেজের ভাগ্যে। সূত্রে জানা যায় ডেমরা কলেজে এক কোটি টাকা দুর্নীতির খবর হিসাব রক্ষক শামসুল হক, প্রসেসর নায়লা আক্তার, অধ্যক্ষ নূরে আলম ও সভাপতি জলিলের বিরুদ্ধে । এতে করে এই দুর্নীতির দায় চলে আসে কলেজের হিসাব রক্ষক শামসুল হক, প্রফেসর নায়লা আক্তার, অধ্যক্ষ নূরে আলম ও সভাপতি আব্দুল জলিলের উপর। এই দুর্নীতির বিষয়টি সালাউদ্দিন এমপি মেনে নিতে না পেরে গত ১৮ ই জানুয়ারি ২০২৫ ইং কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রফেসর নায়লা, অধ্যক্ষ ড. নূরে আলম ও হিসাবরক্ষক শামসুল হকের কথা তুলে ধরেন। ফলে এমপি সালাউদ্দিন এর বক্তব্যের বিরুদ্ধে নায়লা আক্তার স্টাফ কোয়াটারে একটি ঝাড়ু মিছিল পালন করান যদিও বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন, গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট । তবে থেমে থাকেননি কলেজের অধ্যক্ষ নূরে আলম, তিনি কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমপি সালাউদ্দিন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করা থেকে। এলাকার নাম প্রকাশে অনেক সাধারণ জনগণ বলেন, এমপি সালাউদ্দিন আহমেদ এই বয়সে ব্যবহার খারাপ করা উচিত হয়নি, তার সংযত হওয়া উচিত। এদিকে কলেজের সভাপতি আব্দুল জলিল বলেন, শিক্ষক আশরাফুল হক, মাসুদ ও কামাল তারা নিয়মিত ক্লাস করেননা এবং কোন দায়িত্ব দিলে তা পালন করেননা । সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানকালে সভাপতির বিষয় জানতে চাইলে অনেক অভিভাবকগণ বলেন, সভাপতি আব্দুল জলিল সৎ এবং যোগ্য।
তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন এসবই হচ্ছে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায়। সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব পড়ায় কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা বোঝা যাচ্ছেনা। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তাহলে আসল সত্য বের হয়ে আসবে এখানে দোষী আর কে দোষী না ।