1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

বগুড়ায় শীতের মৌসুমে শুরু হয়েছে খেজুরের রস থেকে লালি ও গুড় সংগ্রহ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৭৮ দেখেছেন

 

মোঃ আমানউল্লাহ, বগুড়াঃ গ্রাম বাংলার একটি প্রাচীনতম সুস্বাদু খাবারের নাম লালি। প্রতি বছরের ন্যায় বগুড়ার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে শুরু হয়েছে খেজুর রস সংগ্রহ করে লালি ও গুড় তৈরির কাজ।
সুস্বাদু এই খাবারের কদর শুধু বগুড়বাসীর নয়, এই খাবারের কদর রয়েছে দেশের বেশিরভাগ জেলায়। প্রাকৃতিক এই খাবার নানা বয়সী নারী পুরুষের কাছে অনেক প্রিয়। এলাকায় খেজুর গাছের সংখ্যা বেশি থাকলেও, গাছী আসেন বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে। তারা শীতের শুরুতে এসে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে অবস্থান করেন। পুরো শীতের মৌসুম তারা বিভিন্ন গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে লালি ও গুড় তৈরি করেন।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলাধীন বীরগ্রামে খেজুর রস গাছীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিনের বেলায় গাছ কেটে প্রস্তুত করেন, আর সন্ধার আগেই রসের হাড়িগুলো গাছে গাছে ঝুলিয়ে দেন। ভোর হতে প্রত্যেক হাড়ির রস সংগ্রহ করতে থাকেন। সকাল ৭ টার মধ্যে রস জাল করে লালি ও গুড়ে পরিণত করেন। বীরগ্রামের গাড়ীগুলো এসেছে রাজশাহীর বাঘা হতে। তারা বিগত অনেক বছর আগে থেকে এই গ্রামে আসেন রস সংগ্রহ করে থাকেন। এবছর গ্রামের প্রায় ৩৫০ টি গাছ রস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুত করেন। গাছীরা বলেন দৈনিক বর্তমানে ৩৫০ টি গাছ হতে প্রায় ৪২০ থেকে ৪৫০ লিটার রস সংগ্রহ হচ্ছে। তবে শীত পুরোদমে পড়লে প্রতি গাছ থেকে প্রায় দ্বিগুণ রস সংগ্রহ সম্ভব। প্রতি কেজি লালি ১৫০ এবং গুড় ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে গাছীরা এখনও লাভের অংশ পাননি কারণ তারা সপ্তাহ খানেক হলে এই মৌসুমে রস সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন। গ্রাম হতে জালানির জন্য খরি, কাঠ সংগ্রহ করছেন। তাদের বক্তব্য রসের পরিমাণ বেশি হলে, শ্রমিকের মজুরি এবং খরির দাম কম হলে তুলনামূলক কমদামে লালি ও গুড় বিক্রি করা সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.