ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দলনের কর্মসূচীতে বাধা, মারপিটের ঘটনায় ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টফোরের জেলা প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ লিটুর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এক শিক্ষার্থী। তবে মামলার বাদী বলছেন মামলায় কার নাম দেয়া হয়েছে তার বিষয়ে যানেন না কিছু। মামলায় নাম দিয়েছেন পদধারী স্বেচ্ছাসেবকদলের এক নেতা।
গতকাল রোববার সদর থানায় সাজ্জাদ সরকার শাহিন বাদি হয়ে ওই মামলাটি করেন। তিনি ঠাকুরগাঁও পলেটেকনিক্যাল ডিপ্লোমা কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানাগেছে। এই মামলায় ৮৫ নম্বর আসামী করা হয় বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক লিটুকে। একই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা সহ মোট ৯৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এদিকে এই মামলায় সাংবাদিকদের নাম দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিক মহল।
মামলার প্রসঙ্গে এজাহারে উল্লেখ করা বাদী সাজ্জাদ সরকার শাহিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনাকে আমি চিনিনা। আর এই মামলায় আমি শুধু বাদি। মামলায় নাম দিয়েছেন আমার এক বড় ভাই স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতা। আমি তেমন কিছু যানিনা। চার্জসিট থেকে নাম কাটিয়ে দেয়া হবে। আপনার সাথে সাক্ষাত করে কথা হবে বলে ফোন কাটে দেন।
মামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লিটু বলেন, গতকাল দুপুরে খবর পেলাম সাজ্জাদ সরকার শাহিন নামে এক শিক্ষার্থী আমার নামে মামলা করেছে। মামলার এই বাদীকে আমি চিনিই না, সেও হয়তো আমাকে চিনে না। মামলার তার ফোন নাম্বর যেটা আছে সেটাতে ফোন দিয়েছিলাম কথা হয়েছে। মামলার বাদি বলছেন সে কিছু যানেনা স্বেচ্ছাসেবকদলের এক নেতা নাকি নাম দিয়েছে সব। আমি মনে করি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করতে এই মামলা করা হয়েছে