নাহিদা আক্তার পপি: নাছিরনগরে হরিপুর ইউনিয়নের নরহা গ্রামে মাটির নৌকায় কাজ নিয়েএকই গ্রামের জুর মিয়ার ছেলে কামাল মিয়া ও মৃত ইয়াকুব মিয়ার ছেলে শেকুল মিয়ার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় গোষ্টির লোকদের মধ্যে ঝগড়া বেধে যায় এবং উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়।
এলাকাবাসীর কিছু কতিপয় লোকদের উষ্কানীতে মীমাংসার পরিবর্তে মামলায় রূপ নেয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় একই গ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক, রাজধানী টেলিভিশনের ষ্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক জনকথা পত্রিকার ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা প্রতিনিধি, রিপোর্টারস ইউনিটি প্রেসের সিনিয়র সহসভাপতি আছকির উদ্দিনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে তিনটি মামলায় আসামী করা হয়।
সোহেল মিয়া পিতা কাচা মিয়া বাদি হয়ে নাছিরনগর থানায় জি/আর-১৭০/২৪ নামে ১৮ জন আসামি করে,নূর আলম পিতা বদরুল আলম বাদি হয়ে ৬৫ জনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেটের আদালত ব্রাক্ষণবাড়ীয়া মামলা করেন এবংপরিশেষে মৃত মনা মিয়ার ছেলে এনামুল উরপে ছলু মিয়া সি/আর-৬৩০/২৪ সিনিয়র ম্যাজিষ্টেটের আদালতে ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে রাজধানী টেলিভিশনের ষ্টাফ রির্পোটার আছকির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন জুর মিয়ার ছেলে কামাল মিয়ার লোকজন মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে শেকুল মিয়ার বাড়ী ঘর ভাংচুর ও ঝগড়া ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না, শেকুল মিয়ার স্ত্রী সহ আহতরা নাছিরনগর হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখান থেকে কে বা কোন সাংবাদিকরা এসে সংবাদ পরিবেশন করে আর এই অভিযোগ এনে আমাকে,আমার ইউনিভার্সিটি অধ্যয়নরত ছেলে সহ আমার বড় ভাই ও ছোট ভাই সহ তিনটি মিথ্যা মামলায় আসামী করে
আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই,আমি সহ আমাদের পরিবারের ও গোষ্টির পুরুষ -মহিলা রাস্তাঘাটে চলাচল করতে পারছে না,হাট বাজারে ও ছেলে মেয়েরা স্কুল কলেজে যেতে পারছেন না,তিনটি গোষ্টীর লোকজন একত্রিত হয়ে এমন কার্যক্রম করে যাচ্ছে।
সাংবাদিক সমাজ সমাজের দর্পণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে থাকেন আমি সারা বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক ভাই ও বোনদের আমি,আমার ছেলে সহ আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের মিথ্যা মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য তীব্র নিন্দা ও সদয় সুদৃষ্টি কামনা করছি তারি সাথে প্রশাসনের সুদৃষ্টি প্রার্থনা করছি।