1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
কাগজে ৭৫ এতিম, বাস্তবে শূন্য! বছরে ১৮ লাখ টাকার ক্যাপিটেশন কোথায় যাচ্ছে? - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

কাগজে ৭৫ এতিম, বাস্তবে শূন্য! বছরে ১৮ লাখ টাকার ক্যাপিটেশন কোথায় যাচ্ছে?

reporter মোঃ খাইরুল হাসান (বিপ্লব) বিশেষ প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর এলাকায় অবস্থিত “দুর্লভপুর এতিমখানা শিশু সদন”কে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অনিয়ম ও সরকারি অর্থ লুটপাটের অভিযোগ। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বে থাকা জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের ক্যাপিটেশন গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় ৭৫ জন এতিমের নামে প্রতি বছর প্রায় ১৮ লাখ টাকা সরকারি অনুদান উত্তোলন করা হচ্ছে।
কিন্তু সরেজমিনের চিত্র নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।

কমিটি নেই, একাই নিয়ন্ত্রণে সব এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী—,প্রতিষ্ঠানটির কোনো কার্যকর পরিচালনা কমিটি নেই
জহিরুল ইসলাম নিজেই এককভাবে সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন,আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তেও একক কর্তৃত্ব বজায় রেখেছেন,স্থানীয়দের ভাষায়, “একজনের হাতে পুরো এতিমখানা—এটাই সবচেয়ে বড় সন্দেহ।”

রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ স্থানীয়দের দাবি, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জহিরুল ইসলাম রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ক্যাপিটেশন বরাদ্দ বাড়িয়ে নিয়েছিলেন।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলের পর তিনি আবার ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জহিরুল ইসলামের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
মাঠে নেই এতিম—প্রশ্নের পর প্রশ্ন স্থানীয়দের দাবি—,প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী নিবাসী এতিমের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি,নিয়মিত আবাসিক কার্যক্রমের স্পষ্ট প্রমাণ নেই,কাগজে-কলমে সংখ্যার ভিত্তিতে অনুদান তোলা হচ্ছে,ফলে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই: যাদের নামে টাকা আসে, তারা কোথায়?”স্থানীয়দের দাবি: জরুরি তদন্ত এলাকার সচেতন মহল জোর দিয়ে বলছেন—
অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত,এতিমদের শারীরিক উপস্থিতি যাচাই,ব্যাংক লেনদেন অডিট, পরিচালনা কমিটি গঠনের বৈধতা যাচাই
অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা,তাদের ভাষায়, “এতিমের টাকা নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না।”

এখন বল প্রশাসনের দুর্লভপুর এতিমখানা শিশু সদনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ সত্য, এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম নয়—এটি এতিম শিশুদের প্রাপ্য অধিকার হরণের গুরুতর উদাহরণ।

এখন সবার চোখ প্রশাসনের দিকে— হবে কি নিরপেক্ষ তদন্ত? নাকি কাগুজে এতিমের আড়ালে চলবে অর্থ উত্তোলনের পুরনো খেলা?

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com