1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
হয়রানি মুক্তির প্রিপেইড মিটারেই গ্রাহক ভোগান্তি চরমে - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
গাজীপুরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতন চালিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ। চাটমোহরে ঘোড়া ফজলুর বিরুদ্ধে মামলা। পাঁচ মাদক সেবীর কারাদন্ড মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের জেসমিনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন, টাকা ফেরত ও শাস্তির দাবি চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর যুবদলে যোগদান খুলনায় হেলদি সিটি ফোরামের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবিতে বাঙ্গালহালিয়াতে মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

হয়রানি মুক্তির প্রিপেইড মিটারেই গ্রাহক ভোগান্তি চরমে

reporter মোঃ মাইনুল ইসলাম মাহিন রূপগঞ্জ থানা প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:০৮ অপরাহ্ণ

অস্বচ্ছ বিল, অতিরিক্ত কাটাকাটি—উত্তর মিলছে না ডেসকোর গ্রাহক হয়রানি কমানো ও স্বচ্ছ বিলিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতে চালু করা হয় প্রিপেইড মিটার। কিন্তু বাস্তবে সেই “হয়রানি মুক্তি”র মিটারই এখন গ্রাহকদের জন্য হয়ে উঠেছে নতুন দুর্ভোগের নাম।

রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় ডেসকোর (ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি) আওতাভুক্ত অসংখ্য গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে কেটে নেওয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। কেউ কেউ জানিয়েছেন, এক হাজার টাকার মধ্যে কার্যত ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকার বিদ্যুৎই ব্যবহার করা যাচ্ছে, বাকি টাকা কাটা যাচ্ছে অজানা খাতে।

গ্রাহকরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিল, সার্ভিস চার্জ বা অন্য কোনো কারণে টাকা কাটা হচ্ছে কিনা—তা জানার কোনো স্পষ্ট উপায় নেই। রিচার্জের পর মোবাইল এসএমএসে শুধু মোট কাটা টাকার হিসাব দেখা যায়, কিন্তু কোন খাতে কত টাকা কাটা হলো তার কোনো যে বিশদ বিবরণ দেয় না মিটার বা ডেসকো কর্তৃপক্ষ।

মিরপুর, উত্তরা, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডেসকোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে কেউ কেউ বলেন, কিছু টাকা বকেয়া, সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাট বাবদ কাটা হয়। যদিও গ্রাহকদের কাছে এর কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বা হিসাব সরবরাহ করা হয় না।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অস্বচ্ছ কাটাকাটি প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে। তারা মনে করেন, গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বচ্ছ হিসাব প্রদর্শন ও নিয়মিত নজরদারি জরুরি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, এদিকে, ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের কারণে অনেক এলাকায় গ্রাহকরা সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। কেউ কেউ আবার পুরনো পোস্টপেইড মিটারে ফিরে যাওয়ার দাবি তুলেছেন।

সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—ডেসকোসহ বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গ্রাহকদের ন্যায্য হিসাব নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় “হয়রানি মুক্তির মিটার” প্রকল্পই পরিণত হবে “হয়রানির নতুন ফাঁদে”।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com