1. [email protected] : Ghoshana Desk :
  2. [email protected] : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. [email protected] : Masud Khan : Masud Khan
রিফাত হত্যার রায়: ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রিফাত হত্যার রায়: ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড সারিয়াকান্দির নারচী ইউনিয়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান পূনরুদ্ধার হলো বিরলের ধর্মপুর শালবনের আরো ৬ একর জমি বকশীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার টাঙ্গাইলে আলোচিত কলেজ ছাত্র নাইম শেখ হত্যা মামলার আসামি সোলায়মান শিকদার গ্রেফতার বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার বিরলে এক আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে বিবির পুকুর পাড়ে পথশিশু ও দুস্থদের মুখে হাসি ফোটালো ‘পরানের বরিশাল’ ফল সমিতির নির্বাচনে নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও ফুলের শুভেচ্ছা প্রতিমন্ত্রী সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেপ্তার সাংবাদিকের জামিন

রিফাত হত্যার রায়: ৫ জনের ফাঁসি, ৫ জনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড

reporter বায়েজিদ হোসেন, বগুড়া
calendar প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় আট বছরের শিশু রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে হত্যা এবং মরদেহ গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সময় নাবালক থাকা আরও পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১১ আসামির মধ্যে আটজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস ভোলাগাড়ী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ও সাগর, খাদাস তালুকদারপাড়া গ্রামের সেলিম ইসলাম ও মেহেদী হাসান এবং খাদাস মাঠপাড়া গ্রামের রাজু ইসলাম ওরফে পাঁচফুল। তাদের মধ্যে সেলিম ইসলাম ও সাগর দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত রিফাত হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে। ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই বিকেলে রিফাত নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর পাশের পোয়ালগাছা গ্রামের ভদ্রাবতী সেতুর নিচ থেকে রিফাতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা এনামুল হক ১১ জনকে আসামি করে শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আলী আসগর জানান, তদন্তে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাস থেকে দেশে ফেরার পর প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ বিভিন্ন সময় এনামুল হকের কাছে টাকা দাবি করতেন। ঘটনার দিনও তিনি এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই দিনই রিফাত নিখোঁজ হয়।

মামলার বিচার চলাকালে এক আসামি মাসুদ রানা মারা যাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। রায়ে আদালত পাঁচ প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৮ ধারায় মৃত্যুদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পৃথক অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় শিশু ছিল এমন পাঁচ আসামি—সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেনকে শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি হওয়ায় জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত রিফাতের বাবা এনামুল হক ও তার পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com