ফেনী জেলা প্রতিনিধি:- ফেনী জেলার সদর থানাধীন ফরহাদ নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন বাচ্চু ও তার ভাই সদর থানা যুব দলের সদস্য সচিব শাহদাত বিগত ০৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর ফরহাদ নগর ইউনিয়নের ৪০/৫০ টি বাড়িতে লুটতরাজ ও ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী জেলা ও থানা পর্যায়ের বর্তমান পোষ্টধারী ২৭ জন নেতা কর্মীর সাথে অসৌজন্য মূলক আচরন করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে অস্ত্র প্রদর্শন করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে।
বি এনপির ভাবমুর্তি ভিষনভাবে ক্ষুন্য করেছে বলেও জানা যায়। বিগত সরকারের সময় ফেনী জেলা আওয়ামীলিগের সভাপতি টেন্ডারবাজ বি: কম রহমানের বোনকে বিয়ে করে বাচ্ছু সিমাহীন দূর্নীতি ও টেন্ডারবাজি করেছে বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। শাহাদাত ও বাচ্ছুর আর এক ভাই জেলা আওয়ামিলীগের নেতার সাথে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে যৌথভাবে দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে বলেও জানা যায়। বিএনপির রাজনীতি করে আওয়ামীলিগের সাথে আত্বিয়তার বন্ধন সৃষ্টি করে সকল প্রকার সুবিধা নিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও সুবিধা নিয়ে বর্তমানে বিএনপির ব্যানারে লুটপাট শুরু করেছে বলে একাধিক সুত্র থেকে জানাযায় বিএনপির সুবিধা বঞ্চিত ত্যাগিনেতা কর্মী যারা বিগত সরকারের সময় জেল জুলুমের স্বীকার হয়ে বাড়ি ও ভিটা ছাড়া হয়েছে তাদের উপর খবরদারী করে লুটতরাজ ও ভাংচুর করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আওয়ামীলিগের সুবিধা ভোগ বিএনপির কর্মী বাচ্ছু ও শাহাদাত গং।
সম্প্রতি বিএনপি নেতা এ্যাড: আবু সুফিয়ানের ভাইক কে বন্যা দুর্দান্ত এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গায়ে হাত তোলার অভিযোগে ক্ষমাচেয়ে মিমাংশা করেছে বলে যানা যায়।
বিএনপির শীর্ষ নেতাদের হুশিয়ারী উপেক্ষা করে বাচ্ছু গং এলাকায় যে, ত্রাশের রাজস্ব কায়েম শুরু করেছে যা বর্ননা করা সম্ভব না বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসি জানান।
স্থানীয় পর্যায় বিএনপির সিনিয়র নেতাগণ সরেজমিনে তদন্তকরে ব্যবস্থা না নিলে বিএনপির ভাবমুর্তি ক্ষুন্য করার জন্য বাচ্ছু ও শাহাদাত গং এর অপকর্মই যথেষ্ট বলে অনেকেই মতামত ব্যক্ত করেন।